এসএসসির ফলে বড় ধাক্কা, পাসের হার কমলো ৬.২০ শতাংশ
দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে এবার পাসের হার কমেছে। চলতি বছর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
যদিও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর চিত্র জাতীয় গড়ের চেয়ে কিছুটা আলাদা। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, যা গত বছরের ৬৮.০৪ শতাংশের তুলনায় ৩.৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
অন্যদিকে দাখিল ও কারিগরি শিক্ষায় পাসের হার যথাক্রমে ৫৫.৪৯ ও ৫৮.২০ শতাংশ।
কোন বোর্ডে কতটা পরিবর্তন?
২০২৫ সালে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার ছিল রাজশাহীতে ৭৭.৬৩ শতাংশ। এরপর যশোরে ৭৩.৬৯, চট্টগ্রামে ৭২.০৭, সিলেটে ৬৮.৫৭, ঢাকায় ৬৭.৫১, দিনাজপুরে ৬৭.০৩, কুমিল্লায় ৬৩.৬০, ময়মনসিংহে ৫৮.২২ এবং বরিশালে ৫৬.৩৮ শতাংশ ছিল।
২০২৬ সালের বোর্ডভিত্তিক তথ্যের সঙ্গে ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান-
শিক্ষা বোর্ড
দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে এবার পাসের হার কমেছে। চলতি বছর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে এই হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
যদিও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর চিত্র জাতীয় গড়ের চেয়ে কিছুটা আলাদা। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ, যা গত বছরের ৬৮.০৪ শতাংশের তুলনায় ৩.৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
অন্যদিকে দাখিল ও কারিগরি শিক্ষায় পাসের হার যথাক্রমে ৫৫.৪৯ ও ৫৮.২০ শতাংশ।
কোন বোর্ডে কতটা পরিবর্তন?
২০২৫ সালে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ পাসের হার ছিল রাজশাহীতে ৭৭.৬৩ শতাংশ। এরপর যশোরে ৭৩.৬৯, চট্টগ্রামে ৭২.০৭, সিলেটে ৬৮.৫৭, ঢাকায় ৬৭.৫১, দিনাজপুরে ৬৭.০৩, কুমিল্লায় ৬৩.৬০, ময়মনসিংহে ৫৮.২২ এবং বরিশালে ৫৬.৩৮ শতাংশ ছিল।
২০২৬ সালের বোর্ডভিত্তিক তথ্যের সঙ্গে ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান-
শিক্ষা বোর্ড
২০২৫
২০২৬
পরিবর্তন
ঢাকা
৬৭.৫১%
৭১.৬৩%
বেড়েছে ৪.১২
কুমিল্লা
৬৩.৬০%
৬৫.৪২%
বেড়েছে ১.৮২
চট্টগ্রাম
৭২.০৭%
৫৯.৪৮%
কমেছে ১২.৫৯
যশোর
৭৩.৬৯%
৬৬.২৭%
কমেছে ৭.৪২
সিলেট
৬৮.৫৭%
৫৮.৩৩%
কমেছে ১০.২৪
বরিশাল
৫৬.৩৮%
৬০.৩৫%
বেড়েছে ৩.৯৭
দিনাজপুর
৬৭.০৩%
৫৮.০৫%
কমেছে ৮.৯৮
ময়মনসিংহ
৫৮.২২%
৫৭.৩৯%
কমেছে ০.৮৩
মাদ্রাসা
৬৮.০৯%
৫৫.৪৯%
কমেছে ১২.৬০
কারিগরি
৭৩.৬৩%
৫৮.২০%
কমেছে ১৫.৪৩
উল্টো চিত্র ঢাকায়, কুমিল্লায় ও বরিশালে
সার্বিকভাবে পাসের হার কমলেও সব বোর্ডে একই চিত্র দেখা যায়নি।
২০২৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৪.১২ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। কুমিল্লায় বেড়েছে ১.৮২ এবং বরিশালে ৩.৯৭ শতাংশীয় পয়েন্ট।
অন্যদিকে সবচেয়ে বড় পতন দেখা যাচ্ছে কারিগরি শিক্ষায়- ১৫.৪৩ শতাংশীয় পয়েন্ট। চট্টগ্রাম ও মাদ্রাসা বোর্ডেও পাসের হার ১২ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি কমেছে। সিলেটেও কমেছে ১০.২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট।
গত বছরের ধাক্কার পরও আরও নিচে জাতীয় হার
২০২৫ সালের ফলেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাসের হার আগের বছরের ৮৩.০৪ শতাংশ থেকে নেমে ৬৮.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল। এক বছরে ১৪.৫৯ শতাংশীয় পয়েন্টের সেই বড় পতনের পর ২০২৬ সালেও জাতীয় পাসের হার আরও ৬.২০ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ৬২.২৫ শতাংশে নেমেছে।
টানা দ্বিতীয় বছরের মতো এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে পাসের হার কমল। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাতেও পতন এসেছে। ২০২৬ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে; ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২।