এসির তাপমাত্রা কত রাখা আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো, জানাল গবেষণা

গরমের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে এসির ব্যবহারও। কেউ স্বস্তির জন্য তাপমাত্রা নামিয়ে আনেন ১৯ ডিগ্রিতে, আবার কেউ ২৪ বা ২৭ ডিগ্রিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে আরামটাই কি শেষ কথা? নাকি ঘরের তাপমাত্রা আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে? সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বিষয়টি মোটেই হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে, রাতে শোওয়ার ঘরের তাপমাত্রা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও বেশি লক্ষ্য করা যায়। গবেষণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত গরম ঘরে ঘুমানো হৃদযন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ৪৭ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা যায়, শোওয়ার ঘরের তাপমাত্রা যদি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৫.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট)-এর বেশি হয়, তাহলে তা হৃদযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এমনকি ঘুমের সময় হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়। গবেষণার প্রধান লেখক ফার্গাস ও’

এসির তাপমাত্রা কত রাখা আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো, জানাল গবেষণা
গরমের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে এসির ব্যবহারও। কেউ স্বস্তির জন্য তাপমাত্রা নামিয়ে আনেন ১৯ ডিগ্রিতে, আবার কেউ ২৪ বা ২৭ ডিগ্রিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে আরামটাই কি শেষ কথা? নাকি ঘরের তাপমাত্রা আপনার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে? সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বিষয়টি মোটেই হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে, রাতে শোওয়ার ঘরের তাপমাত্রা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও বেশি লক্ষ্য করা যায়। গবেষণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত গরম ঘরে ঘুমানো হৃদযন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ৪৭ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে পরিচালিত এই সমীক্ষায় দেখা যায়, শোওয়ার ঘরের তাপমাত্রা যদি ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৫.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট)-এর বেশি হয়, তাহলে তা হৃদযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এমনকি ঘুমের সময় হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়। গবেষণার প্রধান লেখক ফার্গাস ও’কনর জানান, অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে হৃদযন্ত্রকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। শরীর ঠান্ডা রাখতে ত্বকের দিকে বেশি রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, যার ফলে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ রয়েছে বা যারা বয়সে প্রবীণ, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ সময় ধরে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত কাজ করতে হলে তা শরীরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং আগের দিনের ক্লান্তি বা তাপজনিত প্রভাব থেকে পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে প্রতি এক ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপও বাড়ে। ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এই চাপ প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। ২৬ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে তা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায় এবং ২৮ ডিগ্রির বেশি হলে প্রায় ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই গবেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন, শোওয়ার ঘরের তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা হলে ঘুমের সময় শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো সম্ভব এবং হৃদযন্ত্রও স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে পারে। সূত্র : এই সময়

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow