এসিসিএ ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে স্নাতক শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা উন্নয়নে চুক্তি

এসিসিএ ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানমুখী ফাইন্যান্স দক্ষতা উন্নয়নে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।  এই চুক্তির মাধ্যমে সিএটি থেকে এসিসিএ পর্যন্ত একটি কাঠামোবদ্ধ পথ তৈরি হয়েছে, যা করপোরেট, এসএমই এবং বিপিও খাতে ভবিষ্যৎমুখী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের নিয়োগদাতারা যখন ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন এসিসিএ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে পেশাগত হিসাববিজ্ঞানে প্রবেশের পথ সুদৃঢ় করা এবং তরুণ পেশাজীবীদের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সহযোগিতার আওতায় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্নাতক শিক্ষার্থীরা এসিসিএর যোগ্যতা অর্জনের পথে প্রবেশাধিকার পাবে, যা শুরু হবে সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি) প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক ও নিয়োগদাতাদের চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনে সহায়তা

এসিসিএ ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে স্নাতক শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা উন্নয়নে চুক্তি

এসিসিএ ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানমুখী ফাইন্যান্স দক্ষতা উন্নয়নে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। 

এই চুক্তির মাধ্যমে সিএটি থেকে এসিসিএ পর্যন্ত একটি কাঠামোবদ্ধ পথ তৈরি হয়েছে, যা করপোরেট, এসএমই এবং বিপিও খাতে ভবিষ্যৎমুখী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের নিয়োগদাতারা যখন ক্রমবর্ধমানভাবে কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন, তখন এসিসিএ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে পেশাগত হিসাববিজ্ঞানে প্রবেশের পথ সুদৃঢ় করা এবং তরুণ পেশাজীবীদের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই সহযোগিতার আওতায় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্নাতক শিক্ষার্থীরা এসিসিএর যোগ্যতা অর্জনের পথে প্রবেশাধিকার পাবে, যা শুরু হবে সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি) প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক ও নিয়োগদাতাদের চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই), অ্যাকাউন্টিং ফার্ম এবং দ্রুত বর্ধনশীল বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) খাতে ক্যারিয়ার গঠনের প্রস্তুতি দেওয়া।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত, যেখানে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করে। এই দুটি বৃহৎ ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বেকারত্বের চাপ হ্রাস এবং সিএটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বস্বীকৃত এসিসিএ যোগ্যতায় অগ্রসর হওয়ার একটি সুস্পষ্ট পথ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এসিসিএ বর্তমানে ১৮০টি দেশে বিস্তৃত একটি বৈশ্বিক পেশাজীবী সংগঠন, যার সদস্য সংখ্যা ২৫২৫০০-এর বেশি এবং ভবিষ্যৎ সদস্য প্রায় ৫২৬০০০। ডিজিটাল সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই অংশীদারিত্ব ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী এবং বৈশ্বিক নিয়োগদাতাদের নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার দেবে, যা তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করবে।

এই সমঝোতা স্মারকে এসিসিএ বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কান্ট্রি ম্যানেজার মিসেস প্রমা তাপসী খান এফসিসিএ এবং সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মি. শাহ ওয়ালিউল মানজুর। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ, স্বাক্ষর করেন এবং  উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মিসেস প্রমা তাপসী খান বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থীর জন্য প্রশ্নটি শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং কর্মসংস্থান যোগ্য হওয়া। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত পথ তৈরি করছি, যাতে তারা সিএটির মাধ্যমে কর্মসংস্থানমুখী ফাইন্যান্স দক্ষতা অর্জন করে এসিসিএ যোগ্যতার দিকে এগোতে পারে, যা শক্তিশালী ক্যারিয়ার গঠন এবং বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যৎ প্রস্তুত জনশক্তি তৈরিতে সহায়ক হবে।’

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, ‘এই কৌশলগত সহযোগিতার লক্ষ্য হলো— একাডেমিক সমন্বয় জোরদার করা, পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান ও ফাইন্যান্স শিক্ষায় উৎকর্ষতা প্রতিষ্ঠা করা। এই অংশীদারিত্ব জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডকে শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে সহায়তা করবে। এই এমওইউ স্বাক্ষর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক পেশাগত মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাজ্যের ট্রেড এনভয়— যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য, রাইট অনারেবল ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার, হার এক্সেলেন্সি মিস সারাহ কুক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রায় ২৫,০০০ শিক্ষার্থীর জন্য আন্তর্জাতিক মানের পেশাগত যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ সম্প্রসারণে একটি নতুন অংশীদারিত্ব আনুষ্ঠানিক রূপ পেল। এটি যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার অংশীদারিত্বের আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।’

ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট টিমের পক্ষ থেকে ডিরেক্টর অব ট্রেড সাকিব এরশাদ এবং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম এবং সেকশন অফিসার নুসরাত ইসলাম।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow