ওজুখানা নয়, খাবার পানি ব্যবস্থায় ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে শোলাকিয়া মাঠে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নের অংশ হিসেবে পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ১০ লাখ টাকায় কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে মুসল্লিদের সুপেয় পানি পাওয়া সহজতর হওয়ার পাশাপাশি ঈদগাহ মাঠের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদগাহ মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে মাটির ড্রেন রয়েছে। মুসল্লিদের ঈদের জামাত আদায়ের সময় ড্রেনটিকে কেন্দ্র করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে ট্যাপ বসায়। ফলে ড্রেনটির আশপাশের অংশে পানি পড়ে ড্রেন ও সংলগ্ন এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে মুসল্লিরা দুর্ভোগে পড়েন। মুসল্লিদের এই দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও মাঠ কমিটির সদস্য সচিব মো. এরশাদ মিয়া পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণে উদ্যোগী হন। এর অংশ হিসেবে জেলা পরিষদ থেকে এ ব্যাপারে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প অনুযায়ী, মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে খাবার পানি সরবরা

ওজুখানা নয়, খাবার পানি ব্যবস্থায় ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে শোলাকিয়া মাঠে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নের অংশ হিসেবে পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ১০ লাখ টাকায় কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে মুসল্লিদের সুপেয় পানি পাওয়া সহজতর হওয়ার পাশাপাশি ঈদগাহ মাঠের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদগাহ মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে মাটির ড্রেন রয়েছে। মুসল্লিদের ঈদের জামাত আদায়ের সময় ড্রেনটিকে কেন্দ্র করে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে ট্যাপ বসায়। ফলে ড্রেনটির আশপাশের অংশে পানি পড়ে ড্রেন ও সংলগ্ন এলাকা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে মুসল্লিরা দুর্ভোগে পড়েন।

মুসল্লিদের এই দুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও মাঠ কমিটির সদস্য সচিব মো. এরশাদ মিয়া পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণে উদ্যোগী হন। এর অংশ হিসেবে জেলা পরিষদ থেকে এ ব্যাপারে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্প অনুযায়ী, মাঠের মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে খাবার পানি সরবরাহের ব্যবস্থাসহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।

এদিকে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাঠের মাঝখান দিয়ে ওজুখানা নির্মাণ করা হচ্ছে- এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে নেটিজেনরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ বলেন, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে মাঠের মাঝখানে কোন ওজুখানা নির্মাণ করা হবে না। পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। ড্রেনের উপর স্ল্যাব থাকবে। এছাড়া ঈদের দিনে মুসল্লিদের সুবিধার্থে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow