ওমান প্রবাসী কর্মীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

সব প্রস্তুতি শেষে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, এমন হাজারো কর্মীর সামনে হুট করেই যেন মেঘ না চাইতেই বজ্রপাতের মতো খবর এসেছে। সুটকেস গোছানো শেষ হলেও এখন আর শুধু পাসপোর্ট বা ভিসা হাতে থাকলেই মিলবে না গন্তব্যের টিকিট। মরুভূমির সেই কাঙ্ক্ষিত দেশে পা রাখার আগেই এখন থেকে পরীক্ষা দিতে হবে নিজের মেধার, দিতে হবে যোগ্যতার প্রমাণ। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার ওমানে কাজ করতে যাওয়া প্রবাসীদের জন্য এমনই এক কঠোর ও বাধ্যতামূলক নিয়ম চালু করেছে দেশটির সরকার। ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে দেশটিতে প্রবেশের আগেই প্রবাসী কর্মীদের একাডেমিক ও পেশাগত যোগ্যতা যাচাই করা হবে। বিশেষ করে প্রকৌশল, লজিস্টিকস ও হিসাবরক্ষণসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পেশায় যারা কাজ করতে আগ্রহী, তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের স্কিলস ইউনিট থেকে সনদ মূল্যায়ন করিয়ে নিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য বিবেচিত হলে তবেই কর্মীকে দেওয়া হবে ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স। এই লাইসেন্স ছাড়া কোনো প্রবাসীর নামে আর নতুন করে প্রবেশ অনুমতিপত্র বা এন্ট্রি পারমিট ইস্যু করা হবে না। মূলত ভুয়া সনদ রোধ এবং শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি নিশ্চিত করতেই ওমান সরকার

ওমান প্রবাসী কর্মীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

সব প্রস্তুতি শেষে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, এমন হাজারো কর্মীর সামনে হুট করেই যেন মেঘ না চাইতেই বজ্রপাতের মতো খবর এসেছে। সুটকেস গোছানো শেষ হলেও এখন আর শুধু পাসপোর্ট বা ভিসা হাতে থাকলেই মিলবে না গন্তব্যের টিকিট।

মরুভূমির সেই কাঙ্ক্ষিত দেশে পা রাখার আগেই এখন থেকে পরীক্ষা দিতে হবে নিজের মেধার, দিতে হবে যোগ্যতার প্রমাণ। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার ওমানে কাজ করতে যাওয়া প্রবাসীদের জন্য এমনই এক কঠোর ও বাধ্যতামূলক নিয়ম চালু করেছে দেশটির সরকার।

ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে দেশটিতে প্রবেশের আগেই প্রবাসী কর্মীদের একাডেমিক ও পেশাগত যোগ্যতা যাচাই করা হবে। বিশেষ করে প্রকৌশল, লজিস্টিকস ও হিসাবরক্ষণসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পেশায় যারা কাজ করতে আগ্রহী, তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের স্কিলস ইউনিট থেকে সনদ মূল্যায়ন করিয়ে নিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য বিবেচিত হলে তবেই কর্মীকে দেওয়া হবে ওয়ার্ক প্র্যাকটিস লাইসেন্স।

এই লাইসেন্স ছাড়া কোনো প্রবাসীর নামে আর নতুন করে প্রবেশ অনুমতিপত্র বা এন্ট্রি পারমিট ইস্যু করা হবে না। মূলত ভুয়া সনদ রোধ এবং শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি নিশ্চিত করতেই ওমান সরকার এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে গালফ নিউজের বরাতে জানা গেছে।

দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের পরিচালক জাহের বিন আব্দুল্লাহ আল শেখ হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, জাল সনদ ব্যবহারের প্রমাণ মিললে জেল-জরিমানা তো বটেই, এমনকি সরাসরি নিজ দেশে বহিষ্কার বা ডিপোর্টেশনের মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ওমানের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অদক্ষ ও সনদহীন কর্মীদের জন্য সেখানে যাওয়ার পথ অনেকটাই সংকুচিত হয়ে এল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow