ওমানে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় নিহত ফটিকছড়ির যুবক
মীর মাহফুজ আনাম, মাস্কাট (ওমান) থেকে জীবিকার সন্ধানে তিন বছর আগে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মোহাম্মদ আরিফ (২৩)। স্বপ্ন ছিল নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন থেমে গেছে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায়। প্রাইভেট কারের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওমানের আল বিদায়া এলাকার গালিল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসার পাশে ডাস্টবিনে আবর্জনা ফেলে ফেরার পথে একটি বেপরোয়া প্রাইভেট কারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন আরিফ। খবর পেয়ে রয়্যাল ওমান পুলিশ তাকে দ্রুত কাবুরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ওমান উপকূলে ট্যাংকারে আগুন, একজন নিহত ও দুই নাবিক নিখোঁজ পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবা শফিকুল ইসলামকে হারান আরিফ। মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায়ই মারা যান তার বাবা। পরে মা অন্যত্র সংসার গড়লেও আরিফ বড় হয়েছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ পাইন্দং গ্রামের নোনাইয়ার বাবার বাড়িতে, নানার স্নেহ-ভালোবাসায়। তার পৈতৃক বাড়ি ভুজপুরে। ওমানে আরিফের সঙ্গে থাকা মামা মিনহাজুল আবিদ জানান, আরিফ অত্যন্ত শান্
মীর মাহফুজ আনাম, মাস্কাট (ওমান) থেকে
জীবিকার সন্ধানে তিন বছর আগে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মোহাম্মদ আরিফ (২৩)। স্বপ্ন ছিল নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন থেমে গেছে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায়। প্রাইভেট কারের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওমানের আল বিদায়া এলাকার গালিল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসার পাশে ডাস্টবিনে আবর্জনা ফেলে ফেরার পথে একটি বেপরোয়া প্রাইভেট কারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন আরিফ। খবর পেয়ে রয়্যাল ওমান পুলিশ তাকে দ্রুত কাবুরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবা শফিকুল ইসলামকে হারান আরিফ। মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায়ই মারা যান তার বাবা। পরে মা অন্যত্র সংসার গড়লেও আরিফ বড় হয়েছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ পাইন্দং গ্রামের নোনাইয়ার বাবার বাড়িতে, নানার স্নেহ-ভালোবাসায়। তার পৈতৃক বাড়ি ভুজপুরে।
ওমানে আরিফের সঙ্গে থাকা মামা মিনহাজুল আবিদ জানান, আরিফ অত্যন্ত শান্ত, ভদ্র ও পরিশ্রমী ছেলে ছিলেন। দুর্ঘটনাস্থলটি একটি বাইপাস সড়ক। গভীর রাতে গাড়িচালকের সামনের গ্লাস কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওমানি চালকও নিজের দোষ স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, আগামী রোববার (২৮ জুন) সরকারি অফিস খোলার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
এমআরএএইচ/এমএমকে
What's Your Reaction?

