ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর ইউনিয়নের সাতের রশি গ্রামে অবস্থিত সতেররশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত ৫ দিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির সব শ্রেণিকক্ষের দরজায় তালা ঝুলছে। স্কুল প্রাঙ্গণ ছিল সম্পূর্ণ নীরব ও শিক্ষার্থীশূন্য। গত কয়েকদিন পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই গত পাঁচদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা তাদের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ শহীদুর রহমান জানান, পার্শ্ববর্তী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত ওরস উপলক্ষে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তার দাবি, ওরসকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় ও নিরাপত্তাজনিত কারণ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষা বিভাগের পূর্বানুমতি

ওরসের দোহাই দিয়ে ৫ দিন স্কুল বন্ধ রাখে প্রধান শিক্ষক

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টানা ৫ দিন ধরে বন্ধ থাকায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর ইউনিয়নের সাতের রশি গ্রামে অবস্থিত সতেররশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত ৫ দিন ধরে বন্ধ পড়ে আছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির সব শ্রেণিকক্ষের দরজায় তালা ঝুলছে। স্কুল প্রাঙ্গণ ছিল সম্পূর্ণ নীরব ও শিক্ষার্থীশূন্য। গত কয়েকদিন পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই গত পাঁচদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা তাদের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মাদ শহীদুর রহমান জানান, পার্শ্ববর্তী বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত ওরস উপলক্ষে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তার দাবি, ওরসকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় ও নিরাপত্তাজনিত কারণ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে বিদ্যালয় বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষা বিভাগের পূর্বানুমতি নেওয়া হয়েছে কি না- এ বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ে ১৪৮ জন শিক্ষার্থী। স্কুল বন্ধ রাখার বিষয়ে আমরা কাউকে অনুমতি দেইনি। বিষয়টি জানার পর আমি প্রধান শিক্ষককে ডেকে এনেছি। কেন স্কুল বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানের অজুহাতে দীর্ঘ সময় ধরে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা নিয়মবহির্ভূত। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow