ওষুধ ছাড়াই পায়ের পাতা ও গোড়ালির যন্ত্রণা কমান
অফিসে বসে কাজ করতে করতে হঠাৎই লক্ষ্য করলেন পায়ের পাতা ভারী হয়ে ফুলে গেছে। ইউরিক অ্যাসিড স্বাভাবিক, হিল জুতাও পরেন না—তবু গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা। উঠতে গেলেই পায়ের পাতায় টান লাগে, হাঁটতে গেলে অসহনীয় যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এ ধরনের ব্যথা অনেকেরই মাঝে মাঝে দেখা দেয়। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠে বিছানা থেকে নামার সময় ব্যথাটা সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায়। তবে এই সমস্যা যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে, তাহলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া জরুরি। অনেকেই মনে করেন, এ ধরনের ব্যথা মানেই বাতের সমস্যা—কিন্তু সব ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়। তাহলে আসলে এই ব্যথার কারণ কী? অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর দিনের শেষে অনেকের গোড়ালির তলায়, আবার কারও গোড়ালির পেছনের দিকে ব্যথা শুরু হয়। গোড়ালির পেছনের এই ব্যথাকে বলা হয় ‘টেন্ডো অ্যাকিলিস’। হাঁটাচলায় গুরুত্বপূর্ণ যে টেন্ডনটি কাজ করে, সেখানে প্রদাহ হলে গোড়ালির পেছনে যন্ত্রণা দেখা দেয়। অন্যদিকে গোড়ালির নিচের দিকের ব্যথাকে বলা হয় ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস’। কখনো কখনো গোড়ালির তলায় হাড়ের বাড়তি বৃদ্ধি হলেও ব্যথা হয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ক্যালকেনিয়াল স্পার’। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকলে প্ল্যান্টার ফ্যাসা
অফিসে বসে কাজ করতে করতে হঠাৎই লক্ষ্য করলেন পায়ের পাতা ভারী হয়ে ফুলে গেছে। ইউরিক অ্যাসিড স্বাভাবিক, হিল জুতাও পরেন না—তবু গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা। উঠতে গেলেই পায়ের পাতায় টান লাগে, হাঁটতে গেলে অসহনীয় যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এ ধরনের ব্যথা অনেকেরই মাঝে মাঝে দেখা দেয়। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠে বিছানা থেকে নামার সময় ব্যথাটা সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায়। তবে এই সমস্যা যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে, তাহলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া জরুরি। অনেকেই মনে করেন, এ ধরনের ব্যথা মানেই বাতের সমস্যা—কিন্তু সব ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়। তাহলে আসলে এই ব্যথার কারণ কী?
অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর দিনের শেষে অনেকের গোড়ালির তলায়, আবার কারও গোড়ালির পেছনের দিকে ব্যথা শুরু হয়। গোড়ালির পেছনের এই ব্যথাকে বলা হয় ‘টেন্ডো অ্যাকিলিস’। হাঁটাচলায় গুরুত্বপূর্ণ যে টেন্ডনটি কাজ করে, সেখানে প্রদাহ হলে গোড়ালির পেছনে যন্ত্রণা দেখা দেয়। অন্যদিকে গোড়ালির নিচের দিকের ব্যথাকে বলা হয় ‘প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস’। কখনো কখনো গোড়ালির তলায় হাড়ের বাড়তি বৃদ্ধি হলেও ব্যথা হয়, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ক্যালকেনিয়াল স্পার’।
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকলে প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিসের ঝুঁকি বেশি থাকে। যারা দীর্ঘ সময় একটানা বসে কাজ করেন কিংবা শারীরিক নড়াচড়া কম, তাদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার যারা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করেন, তারাও গোড়ালির এ ধরনের ব্যথায় ভুগে থাকেন।
যাদের পায়ের পাতা একেবারে সমান্তরালভাবে মাটিতে স্পর্শ করে, অর্থাৎ ফ্ল্যাট ফুটের সমস্যা থাকলে এমন ব্যথা মাঝেমধ্যেই হতে পারে। সঠিক জুতা না পরলে বা দীর্ঘ সময় হিল জুতা পরে থাকলে লিগামেন্টটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওষুধ ছাড়া ব্যথা কমবে যে উপায়ে—
মূলত প্রদাহের কারণে প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিসের সমস্যা শুরু হয়। প্রদাহ দূর করতে বরফ ভালো বিকল্প হতে পারে। দিনে অন্তত ১৫-২০ মিনিট বরফ সেঁক দিন। তাহলে প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিসের ব্যথা বেশ খানিকটা কমবে।
ব্যথার তীব্রতা কমাতে গোড়ালিতে ঠান্ডা-গরম সেঁক দেওয়া যায়। প্রথমে ঠান্ডা সেঁক দিন, পরমুহূর্তে গরম সেঁক দিন। সেঁক দিলে পায়ের পেশি সচল হয়। ঠান্ডা এবং গরম পানির মিশ্রণ পায়ে ঢাললে খানিক স্বস্তি পাওয়া যায়।
কিছু ব্যায়াম করলেও প্লান্টার ফ্যাসাইটিসের ব্যথা কমবে, যেমন— পায়ের পাতার উপরে ভর দিয়ে মাটি থেকে গোড়ালি তুলে ধরুন। কয়েক সেকেন্ড পর স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরে আসুন। ১০-১৫ বার এ ব্যায়াম করুন। একে বলে হিল রেজ। এই ব্যায়ামটি নিয়মিত করলে গোড়ালির ব্যথা কমে যাবে।
What's Your Reaction?