ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাওয়ার আশংকায় তায়াম্মুম করে নামাজ পড়া যাবে?

প্রশ্ন: অনেক সময় ঘুম থেকে উঠে দেখি সূযোর্দয়ের অল্প সময় বাকি আছে, অজু করতে গেলে ওয়াক্ত চলে যাবে, কিন্তু তায়াম্মুম করে নামাজ পড়লে ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ পড়া যাবে। এই অবস্থায় তায়াম্মুম করে নামাজ পড়া জায়েজ হবে? উত্তর: অজুর পবিবর্তে তায়ম্মুম শুদ্ধ হওয়ার জন্য গ্রহণযোগ্য ওজর থাকা জরুরি। কেউ যদি পানি না পায়, তার অবস্থানের এক মাইল বা তার বেশি দূরত্ব পর্যন্ত পানি না থাকে, সে তায়াম্মুম করতে পারে। পানি ব্যবহারে গ্রহণযোগ্য অসুবিধা থাকলেও তায়াম্মুম করা বৈধ হয়। জানাজা ও ঈদের নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজের ক্ষেত্রে ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাওয়া বা নামাজ কাজা হয়ে যাওয়ার আশংকা অজুর পরিবর্তে তায়ম্মুম শুদ্ধ হওয়ার জন্য গ্রহণযোগ্য কোনো ওজর নয়। তাই আপনার যদি ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায় এবং আপনি দেখেন যে, তায়ম্মুম করলে নামাজ ওয়াক্তের মধ্যে আদায় করতে পারবেন, অজু করতে গেলে নামাজ কাজা হয়ে যাবে, তাহলে আপনি অজু করে সূর্য পুরোপুরি উদিত হওয়ার পর কাজা নামাজ আদায় করবেন। তায়ম্মুম করে ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ আদায় করলেও ওই নামাজ শুদ্ধ হবে না। কেউ এ রকম ক্ষেত্রে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করলে পরবর্তীতে ওই নামাজ কাজা করে নিতে হবে। আরও

ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাওয়ার আশংকায় তায়াম্মুম করে নামাজ পড়া যাবে?

প্রশ্ন: অনেক সময় ঘুম থেকে উঠে দেখি সূযোর্দয়ের অল্প সময় বাকি আছে, অজু করতে গেলে ওয়াক্ত চলে যাবে, কিন্তু তায়াম্মুম করে নামাজ পড়লে ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ পড়া যাবে। এই অবস্থায় তায়াম্মুম করে নামাজ পড়া জায়েজ হবে?

উত্তর: অজুর পবিবর্তে তায়ম্মুম শুদ্ধ হওয়ার জন্য গ্রহণযোগ্য ওজর থাকা জরুরি। কেউ যদি পানি না পায়, তার অবস্থানের এক মাইল বা তার বেশি দূরত্ব পর্যন্ত পানি না থাকে, সে তায়াম্মুম করতে পারে। পানি ব্যবহারে গ্রহণযোগ্য অসুবিধা থাকলেও তায়াম্মুম করা বৈধ হয়। জানাজা ও ঈদের নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজের ক্ষেত্রে ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাওয়া বা নামাজ কাজা হয়ে যাওয়ার আশংকা অজুর পরিবর্তে তায়ম্মুম শুদ্ধ হওয়ার জন্য গ্রহণযোগ্য কোনো ওজর নয়।

তাই আপনার যদি ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায় এবং আপনি দেখেন যে, তায়ম্মুম করলে নামাজ ওয়াক্তের মধ্যে আদায় করতে পারবেন, অজু করতে গেলে নামাজ কাজা হয়ে যাবে, তাহলে আপনি অজু করে সূর্য পুরোপুরি উদিত হওয়ার পর কাজা নামাজ আদায় করবেন। তায়ম্মুম করে ওয়াক্তের মধ্যে নামাজ আদায় করলেও ওই নামাজ শুদ্ধ হবে না।

কেউ এ রকম ক্ষেত্রে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করলে পরবর্তীতে ওই নামাজ কাজা করে নিতে হবে।

তবে জানাজা ও ঈদের নামাজের ক্ষেত্রে হুকুম আলাদা। এ দুই নামাজ যেহেতু পরে আর আদায় করার সুযোগ পাওয়া যায় না, তাই নামাজ ছুটে যাওয়ার আশংকায় অর্থাৎ অজু করতে গেলে জামাত শেষ হয়ে যাবে এই আশংকা থাকলে তায়াম্মুম করে জানাজা ও ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে।

তায়াম্মুম করার পদ্ধতি

তায়াম্মুমের নিয়ম হলো, তায়াম্মুমের নিয়ত করে মাটি বা মাটিজাতীয় বস্তু যেমন বালু, পাথর, চুনা ও সুরমা ইত্যাদি কোনো কিছুতে দুবার হাত লাগানো, একবার হাত দিয়ে মুখ মাসাহ করা, আরেকবার কুনুই পর্যন্ত উভয় হাত মাসাহ করা।

তায়াম্মুম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী?

তায়াম্মুম অজু-গোসলের বিকল্প এবং অজু গোসল যেসব কারণে ভাঙে; সেসব কারণ যেমন মলমুত্র ত্যাগ ইত্যাদি কারণে তায়াম্মুমও ভাঙে। এ ছাড়া যে কারণে তায়াম্মুম করা হয়েছিল, তা দূর হয়ে গেলেও তায়াম্মুম ভাঙে।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow