ওয়ান হেলথ কনসেপ্ট বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

স্বাস্থ্যবিধি, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও নতুন বিশ্ব বাস্তবতা নিয়ে সচেতনতা তৈরি জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, ওয়ান হেলথ শুধু একটি স্বাস্থ্য ধারণা নয়, এটি একটি বহুমাত্রিক বৈজ্ঞানিক ও নীতিগত কৌশল। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এম এ মুহিত বলেন, ওয়ান হেলথ বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশ—এই তিনটির সমন্বিত উন্নয়নেই টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত রোগজীবাণু শনাক্ত করা যাবে এবং সার্ভেল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে রোগের উৎস ও বিস্তার সম্পর্কে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব

ওয়ান হেলথ কনসেপ্ট বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

স্বাস্থ্যবিধি, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও নতুন বিশ্ব বাস্তবতা নিয়ে সচেতনতা তৈরি জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, ওয়ান হেলথ শুধু একটি স্বাস্থ্য ধারণা নয়, এটি একটি বহুমাত্রিক বৈজ্ঞানিক ও নীতিগত কৌশল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এম এ মুহিত বলেন, ওয়ান হেলথ বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বিত সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশ—এই তিনটির সমন্বিত উন্নয়নেই টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত রোগজীবাণু শনাক্ত করা যাবে এবং সার্ভেল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে রোগের উৎস ও বিস্তার সম্পর্কে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল সার্ভেল্যান্স ও ডেটা অ্যানালিটিক্স রোগের বিস্তার পর্যবেক্ষণ এবং আগাম সতর্কতা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে রোগের প্রবণতা বিশ্লেষণ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘এই প্রযুক্তিগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে প্রতিটি প্রাণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

অনুষ্ঠানের শেষ দিকে প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের সার্বিক সফলতা কামনা করে বলেন, বিজ্ঞাননির্ভর স্বাস্থ্যসেবা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

এসইউজে/এমএমএআর 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow