ওয়াশিংটনে টাইটানিক ছবির আদলে ট্রাম্প-এপস্টেইনের ভাস্কর্য

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দোষী সাব্যস্ত প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে নিয়ে নির্মিত একটি ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে স্থাপন করা হয়েছে।  টাইটানিক চলচ্চিত্রের একটি বিখ্যাত দৃশ্য অনুকরণে তৈরি এই শিল্পকর্মটি দর্শনার্থীদের মধ্যে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি সমালোচনাও তৈরি করেছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১২ ফুট উঁচু এই স্থাপনাটি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে দ্য সিক্রেট হ্যান্ডশেক নামক একটি বেনামী শিল্পী গোষ্ঠীর মাধ্যমে মলে স্থাপন করা হয়। এই শিল্পী গোষ্ঠীটি এর আগেও ওয়াশিংটনে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বেশ কিছু ব্যঙ্গাত্মক শিল্পকর্ম প্রদর্শন করেছে।  সোনালী রঙের স্প্রে-পেইন্ট করা এই ভাস্কর্যটিতে দেখা যায়, ট্রাম্প এপস্টেইনের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং তারা একটি কৃত্রিম জাহাজের সামনে থেকে ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে মুখ করে আছেন, যা অনেকটা টাইটানিক চলচ্চিত্রের জ্যাক এবং রোজ চরিত্রের বিখ্যাত ছবির মতো দেখাচ্ছে৷  ভাস্কর্যটির পাশে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনের দিকে শিল্পীরা ট্রাম্প ও এপস্টেইনের একসঙ্গে তোলা ছবিসহ দশটি ব্যানারও স্থাপন করে

ওয়াশিংটনে টাইটানিক ছবির আদলে ট্রাম্প-এপস্টেইনের ভাস্কর্য

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দোষী সাব্যস্ত প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে নিয়ে নির্মিত একটি ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে স্থাপন করা হয়েছে। 

টাইটানিক চলচ্চিত্রের একটি বিখ্যাত দৃশ্য অনুকরণে তৈরি এই শিল্পকর্মটি দর্শনার্থীদের মধ্যে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি সমালোচনাও তৈরি করেছে।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১২ ফুট উঁচু এই স্থাপনাটি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে দ্য সিক্রেট হ্যান্ডশেক নামক একটি বেনামী শিল্পী গোষ্ঠীর মাধ্যমে মলে স্থাপন করা হয়। এই শিল্পী গোষ্ঠীটি এর আগেও ওয়াশিংটনে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বেশ কিছু ব্যঙ্গাত্মক শিল্পকর্ম প্রদর্শন করেছে। 

সোনালী রঙের স্প্রে-পেইন্ট করা এই ভাস্কর্যটিতে দেখা যায়, ট্রাম্প এপস্টেইনের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং তারা একটি কৃত্রিম জাহাজের সামনে থেকে ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে মুখ করে আছেন, যা অনেকটা টাইটানিক চলচ্চিত্রের জ্যাক এবং রোজ চরিত্রের বিখ্যাত ছবির মতো দেখাচ্ছে৷ 

ভাস্কর্যটির পাশে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনের দিকে শিল্পীরা ট্রাম্প ও এপস্টেইনের একসঙ্গে তোলা ছবিসহ দশটি ব্যানারও স্থাপন করেছেন। ব্যানারগুলোতে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রতীকের পাশাপাশি মেইক আমেরিকা সেফ এগেইন বাক্যটি লেখা রয়েছে৷ 

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প এর আগে এপস্টেইনের সাথে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছিলেন, তবে ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে বলে জানিয়েছিলেন। এপস্টেইন ২০১৯ সালে যৌন সংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালীন নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে মারা যান। ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে দাবি করে আসছেন যে তিনি এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

উল্লেখ্য, ন্যাশনাল মল দীর্ঘকাল ধরে প্রতিবাদী শিল্প এবং সামাজিক বা রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে তুলে ধরা বিভিন্ন প্রচারমূলক স্থাপনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow