ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ছবিতে আরও তারকা চেয়েছিলেন প্রযোজক

বলিউডে সিনেমার নতুন মাত্রা যোগ করেছে 'ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল'। অক্ষয় কুমারকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ছবিতে শুরু থেকেই বিশাল তারকাবহর ছিল। তবে প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার পরিকল্পনা ছিল আরও বড়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই তথ্য জানিয়েছেন ছবির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ফারহাদ সামজি। ফারহাদ সামজির ভাষ্য, ছবির গল্প অনুযায়ী প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের প্রয়োজন ছিল। কাহিনির বড় একটি অংশ একদল মানুষের একটি গ্রামে পৌঁছানোকে ঘিরে আবর্তিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই অনেক অভিনেতার প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা মনে করতেন, আরও বেশি পরিচিত মুখ যুক্ত হলে ছবির পরিসর ও বিনোদনের মাত্রা আরও বাড়বে। তিনি জানান, ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার বিশ্বাস ছিল, একসঙ্গে যত বেশি জনপ্রিয় তারকা পর্দায় থাকবেন, দর্শকদের কাছে ছবিটি তত বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। সেই ভাবনা থেকেই তিনি কাস্ট আরও বড় করার পক্ষে ছিলেন। ফারহাদ সামজি স্বীকার করেন, প্রায় ৩৫ জন অভিনয় শিল্পীকে নিয়ে একটি সিনেমার শুটিং করা মোটেও সহজ ছিল না। সবার সময়সূচি মিলিয়ে কাজ করা এবং প্রতিটি দৃশ্য পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারণ করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও শেষ পর্যন্ত

ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ছবিতে আরও তারকা চেয়েছিলেন প্রযোজক

বলিউডে সিনেমার নতুন মাত্রা যোগ করেছে 'ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল'। অক্ষয় কুমারকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ছবিতে শুরু থেকেই বিশাল তারকাবহর ছিল। তবে প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার পরিকল্পনা ছিল আরও বড়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই তথ্য জানিয়েছেন ছবির চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ফারহাদ সামজি।

ফারহাদ সামজির ভাষ্য, ছবির গল্প অনুযায়ী প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের প্রয়োজন ছিল। কাহিনির বড় একটি অংশ একদল মানুষের একটি গ্রামে পৌঁছানোকে ঘিরে আবর্তিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই অনেক অভিনেতার প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা মনে করতেন, আরও বেশি পরিচিত মুখ যুক্ত হলে ছবির পরিসর ও বিনোদনের মাত্রা আরও বাড়বে।

তিনি জানান, ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার বিশ্বাস ছিল, একসঙ্গে যত বেশি জনপ্রিয় তারকা পর্দায় থাকবেন, দর্শকদের কাছে ছবিটি তত বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। সেই ভাবনা থেকেই তিনি কাস্ট আরও বড় করার পক্ষে ছিলেন।

ফারহাদ সামজি স্বীকার করেন, প্রায় ৩৫ জন অভিনয় শিল্পীকে নিয়ে একটি সিনেমার শুটিং করা মোটেও সহজ ছিল না। সবার সময়সূচি মিলিয়ে কাজ করা এবং প্রতিটি দৃশ্য পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারণ করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও শেষ পর্যন্ত এই বিশাল তারকাবহরই ছবিটির অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে অক্ষয় কুমারের পেশাদার মনোভাব নিয়েও প্রশংসা করেন সামজি। তাঁর কথায়, কোনো ছবি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত ফল না করলেও অক্ষয় কখনো অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে পড়ে থাকেন না। বরং দ্রুত নতুন কাজ শুরু করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা তাঁকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে।

আহমেদ খান পরিচালিত 'ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল' জনপ্রিয় 'ওয়েলকাম' ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি। ছবিতে অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন সুনীল শেঠি, পরেশ রাওয়াল, অর্জুন ওয়ার্সি, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, দিশা পাটানি, সঞ্জয় দত্ত, জ্যাকি শ্রফ, জনি লিভারসহ বলিউডের একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী।

মুক্তির আগেই ছবিটির বিশাল তারকাবহর নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। আর এবার ফারহাদ সামজির মন্তব্যে জানা গেল, পর্দায় দেখা সেই তারকা সমাবেশের পেছনে ছিল প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার আরও বড় স্বপ্ন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow