কংগ্রেসের ২ মুসলিম নারী সদস্যকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাকে উদ্দেশ করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান।  বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর এ তথ্য জানিয়েছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মানুষ যখন এমন আচরণ করতে পারে এবং যখন জানা যায় যে তারা নীতিহীন ও দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ ও আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর; তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে, যত দ্রুত সম্ভব সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।’ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের কথার প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তারা। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন। তবে কংগ

কংগ্রেসের ২ মুসলিম নারী সদস্যকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়নে ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাকে উদ্দেশ করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান।  বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর এ তথ্য জানিয়েছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মানুষ যখন এমন আচরণ করতে পারে এবং যখন জানা যায় যে তারা নীতিহীন ও দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ ও আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর; তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে, যত দ্রুত সম্ভব সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।’ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের কথার প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তারা। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন। তবে কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায় হলেও তিনি তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটে। অর্থাৎ তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দেওয়া বার্তার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রাশিদা লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম নারী প্রতিবাদ করছেন ও তার ভুল সংশোধন করে দিচ্ছেন; এটা তিনি সহ্য করতে পারছেন না। তাই এখন তিনি মেজাজ হারাচ্ছেন। #প্রেসিডেন্টমজনুন হ্যাশট্যাগে ব্যবহৃত মজনুন একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ পাগল।’  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow