ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়ে টাকার ব্যাগ ছিনতাই
গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের টাকা জমা দিতে যাওয়ার পথে ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে মহানগরের বাইপাস সড়কের পুকুর পাড়স্থ কাজিমুদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোগড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের থানাবাসন এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম তার ব্যবসায়িক লেনদেনের ২৪ লাখ টাকা ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন হাবিবুর রহমান নামের একজন। তারা মোটরসাইকেলযোগে ব্যাংকে যাওয়ার পথে কাজিমুদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে ছয়জন দুর্বৃত্ত সাইকেলযোগে এসে পথরোধ করে। এরপর দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। বাসন থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে
গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের টাকা জমা দিতে যাওয়ার পথে ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে মহানগরের বাইপাস সড়কের পুকুর পাড়স্থ কাজিমুদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোগড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের থানাবাসন এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম তার ব্যবসায়িক লেনদেনের ২৪ লাখ টাকা ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন হাবিবুর রহমান নামের একজন।
তারা মোটরসাইকেলযোগে ব্যাংকে যাওয়ার পথে কাজিমুদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে ছয়জন দুর্বৃত্ত সাইকেলযোগে এসে পথরোধ করে। এরপর দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
বাসন থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে। মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
What's Your Reaction?