‘ককরোচদের জয়, গণতন্ত্রের জয়’, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর উল্লাস
অবশেষে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবরা (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে চিঠি প্রকাশ করে প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাবলিতে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। দেশের জাতীয় ঐক্যের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছে, ‘ককরোচদের জয় হলো, গণতন্ত্রের জয় হলো।’ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকের মা অনিতা দীপকেও। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত আনন্দের খবর। আড়াই মাস ধরে শিক্ষার্থীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। অভিজিৎ এত কম বয়সে অনেক অর্জন করেছে। তাকে চড় মারা হয়েছিল এবং হেয় করা হয়েছিল। আজ অবশেষে জয় এসেছে। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। মন্ত্রিসভায় রদবদলের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া অন্য কিছু তারা মেনে নেবেন না। অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধ
অবশেষে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবরা (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
এক্স হ্যান্ডেলে চিঠি প্রকাশ করে প্রধান জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাবলিতে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। দেশের জাতীয় ঐক্যের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছে, ‘ককরোচদের জয় হলো, গণতন্ত্রের জয় হলো।’
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকের মা অনিতা দীপকেও। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত আনন্দের খবর। আড়াই মাস ধরে শিক্ষার্থীরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। অভিজিৎ এত কম বয়সে অনেক অর্জন করেছে। তাকে চড় মারা হয়েছিল এবং হেয় করা হয়েছিল। আজ অবশেষে জয় এসেছে।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। মন্ত্রিসভায় রদবদলের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীকে বাঁচানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া অন্য কিছু তারা মেনে নেবেন না।
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী সপ্তাহে সংসদের চলমান অধিবেশনে এই বিল আনা হবে।
মন্ত্রিসভা পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অন্যায্য উপায় প্রতিরোধ) আইন, ২০২৪ সংশোধনের খসড়া অনুমোদন করেছে। এতে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বনিম্ন পাঁচ থেকে দশ বছরের জেল এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
কেএএ/
What's Your Reaction?