কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজলের জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আসনের ১৮২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শহিদুল আলম বাহাদুরকে ২৮ হাজার ৪১৩ ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৪০৭ ভোট। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে শুরু থেকেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থেকে জয় নিশ্চিত করেন কাজল। পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে রামু ও ঈদগাঁও এলাকায় ধানের শীষের প্রতি ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পা

কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজলের জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আসনের ১৮২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শহিদুল আলম বাহাদুরকে ২৮ হাজার ৪১৩ ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৪০৭ ভোট। অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে শুরু থেকেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থেকে জয় নিশ্চিত করেন কাজল।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে রামু ও ঈদগাঁও এলাকায় ধানের শীষের প্রতি ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৯ জন; এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮০ জন। এবার ১১৯টি নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow