কক্সবাজার–মহেশখালী সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শনে সেতু সচিব
কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মহেশখালী দ্বীপের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রস্তাবিত কক্সবাজার–মহেশখালী সেতু বা টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। সভায় জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন। সভা শেষে তারা প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রাথমিক এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করেন।
সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের প্রেরিত ডিও লেটার এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নির্দেশনায় সচিব এ পরিদর্শনে অংশ নেন।
সভায় সেতু সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে সরকার কাজ করছে। কক্সবাজার অঞ্চলকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে মহেশখালীতে গভীর সমুদ্র বন
কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে মহেশখালী দ্বীপের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রস্তাবিত কক্সবাজার–মহেশখালী সেতু বা টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। সভায় জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন। সভা শেষে তারা প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রাথমিক এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করেন।
সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের প্রেরিত ডিও লেটার এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নির্দেশনায় সচিব এ পরিদর্শনে অংশ নেন।
সভায় সেতু সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে সরকার কাজ করছে। কক্সবাজার অঞ্চলকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে মহেশখালীতে গভীর সমুদ্র বন্দর, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এসব প্রকল্পের পূর্ণ সুফল পেতে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে আধুনিক ও টেকসই সংযোগ স্থাপন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, মহেশখালীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই সংযোগ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণ, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে উপস্থাপনা করা হলে সচিব সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে সচিব প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রাথমিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের আলোকে ভৌগোলিক উপযোগিতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। সম্ভাব্য এলাইনমেন্টের অবস্থান, প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
সচিব জানান, সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে সবচেয়ে ব্যয়সাশ্রয়ী ও কার্যকর পদ্ধতিতে সেতু বা টানেল চূড়ান্ত করা হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেন, প্রকল্পের নকশা এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে যাতে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত হয় এবং স্থানীয় জনগণ সর্বোচ্চ সুবিধা পায়।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মহেশখালীর বাসিন্দাদের যাতায়াতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং এই অঞ্চলের পর্যটন ও শিল্প খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
পরিদর্শনকালে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।