কক্সবাজারে আলোচিত জাফর হত্যা মামলা: চারজনের যাবজ্জীবন
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার বাঁশকাটা এলাকার জাফর আলম হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে বেকসুর খালাস এবং আরেকজনকে দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত- ২-এর বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নুরুল ইসলাম (৮০), সিরাজুল ইসলাম (৪৫), সেলিম উল্লাহ (৪৮) ও আশরাফুজ্জামান (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি একই এলাকায়। মামলায় মনজুরুল ইসলাম (৪৪) খালাস পেয়েছেন। ফরিদুল হক ওরফে সোনা মিয়া (৪১) দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। এ ছাড়া মামলার ৫ নম্বর আসামি আব্দুল জলিল ও ১০ নম্বর আসামি আলী হোসেন বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়নি। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১০ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী বাঁশকাটা এলাকায় গোল্ডেন ফার্মের পূর্ব পাশে জাফর আলমের জমি দখলের চেষ্টা করেন আসামিরা। এ সময় বাধা দিলে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার বাঁশকাটা এলাকার জাফর আলম হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে বেকসুর খালাস এবং আরেকজনকে দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত- ২-এর বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নুরুল ইসলাম (৮০), সিরাজুল ইসলাম (৪৫), সেলিম উল্লাহ (৪৮) ও আশরাফুজ্জামান (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি একই এলাকায়। মামলায় মনজুরুল ইসলাম (৪৪) খালাস পেয়েছেন। ফরিদুল হক ওরফে সোনা মিয়া (৪১) দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।
এ ছাড়া মামলার ৫ নম্বর আসামি আব্দুল জলিল ও ১০ নম্বর আসামি আলী হোসেন বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়নি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১০ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী বাঁশকাটা এলাকায় গোল্ডেন ফার্মের পূর্ব পাশে জাফর আলমের জমি দখলের চেষ্টা করেন আসামিরা। এ সময় বাধা দিলে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রশীদ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
What's Your Reaction?