কত সম্পদের মালিক এ আর রহমান

বিশ্বখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী এ আর রহমান আজ ৫৯ বছরে পা রাখলেন আজ (৬ জানুয়ারি)। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতজগতে রাজত্ব করে চলেছেন তিনি। ভারতীয় উপমহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই সুরসম্রাট। সংগীতজীবনের শুরুটা হয়েছিল পারিবারিক পরিমণ্ডলেই। তার বাবা আর কে শেখর ছিলেন একজন প্রখ্যাত সুরকার। বাবার সঙ্গে রেকর্ডিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন রহমান। ধীরে ধীরে নিজেই সুর করা শুরু করেন, এরপর সিনেমার সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ। ১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রোজা’ সিনেমার সুর তাকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি এনে দেয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ সংগীতজীবনে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। পেয়েছেন অস্কার, গ্র্যামি, জাতীয় পুরস্কারসহ অগণিত সম্মাননা। এককথায়, তিনি আজ আন্তর্জাতিক মানের একজন শিল্পী। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে ভারতের পুরুষ সংগীতশিল্পীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী শিল্পী এ আর রহমান। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি রুপি। সম্পদের নিরিখে বলিউড তারকা সালমান খান, আমির খান কিংবা দক্ষিণী সুপারস্টার আল্লু অর্জুনের সঙ্গেও পাল্লা দি

কত সম্পদের মালিক এ আর রহমান

বিশ্বখ্যাত সুরকার ও সংগীতশিল্পী এ আর রহমান আজ ৫৯ বছরে পা রাখলেন আজ (৬ জানুয়ারি)। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতজগতে রাজত্ব করে চলেছেন তিনি। ভারতীয় উপমহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই সুরসম্রাট।

সংগীতজীবনের শুরুটা হয়েছিল পারিবারিক পরিমণ্ডলেই। তার বাবা আর কে শেখর ছিলেন একজন প্রখ্যাত সুরকার। বাবার সঙ্গে রেকর্ডিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন রহমান। ধীরে ধীরে নিজেই সুর করা শুরু করেন, এরপর সিনেমার সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ। ১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রোজা’ সিনেমার সুর তাকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি এনে দেয়।

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দীর্ঘ সংগীতজীবনে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। পেয়েছেন অস্কার, গ্র্যামি, জাতীয় পুরস্কারসহ অগণিত সম্মাননা। এককথায়, তিনি আজ আন্তর্জাতিক মানের একজন শিল্পী।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে ভারতের পুরুষ সংগীতশিল্পীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী শিল্পী এ আর রহমান। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি রুপি। সম্পদের নিরিখে বলিউড তারকা সালমান খান, আমির খান কিংবা দক্ষিণী সুপারস্টার আল্লু অর্জুনের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারেন তিনি।

সুরকার হিসেবে একটি সিনেমার জন্য রহমানের পারিশ্রমিক প্রায় ১০ কোটি রুপি। গায়ক হিসেবেও তার পারিশ্রমিক প্রায় ৩ কোটি রুপি, যা এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে।

ব্যক্তিজীবনেও বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন এ আর রহমান। চেন্নাইয়ে রয়েছে তার একটি দৃষ্টিনন্দন বাড়ি, যেখানে রয়েছে একাধিক শয়নকক্ষ, বসার ও খাবার ঘর। বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো বিনোদনকক্ষ, যেখানে নিয়মিত গান-বাজনার আসর বসে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসেও রয়েছে রহমানের একটি বিলাসবহুল বাড়ি। সেখানে তিনি একটি আধুনিক স্টুডিও তৈরি করেছেন, যেখানে নিয়মিত গানের রেকর্ডিং হয়। মুম্বাই ও লন্ডনেও তার নিজস্ব স্টুডিও রয়েছে। এসব স্টুডিওতে রহমানের ঘনিষ্ঠ শিল্পীরাও কাজ করে থাকেন।

আরও পড়ুন:
জন্মদিনে অনুরাগীদের জন্য বিশেষ চমক দীপিকার, কত বছরে পা দিলেন তিনি 
‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে রেকর্ড গড়লেন অক্ষয় খান্না 

দীর্ঘ সংগীতজীবনের পর এবার অভিনয়ে নাম লেখাতে চলেছেন এ আর রহমান। ‘মুনওয়াক’ নামের একটি সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করবেন তিনি। ছবিতে তার সঙ্গে থাকবেন দীর্ঘদিনের বন্ধু ও নৃত্যশিল্পী প্রভু দেবা। তবে ছবিতে কোনো কাল্পনিক চরিত্রে নয়, বরং নিজ চরিত্রেই অভিনয় করবেন রহমান।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow