কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণে ছেলের লড়াই

ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত নন্দিত অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী আজও স্মরণে আছেন তার ভক্তদের হৃদয়ে। বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালি যুগের এই জনপ্রিয় নায়িকা ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তবে তার অসমাপ্ত স্বপ্ন ‘এই তুমি সেই তুমি’ সিনেমাটি ঘিরে এখনো চলছে আলোচনার ধারাবাহিকতা। মৃত্যুর আগে সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষ করে এনেছিলেন কবরী। মাত্র দুই দিনের শুটিং বাকি ছিল। কিন্তু তার আকস্মিক প্রয়াণে থেমে যায় পুরো নির্মাণকাজ। সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ করার দায়িত্ব তুলে নেন তার ছেলে শাকের চিশতী। জানা যায়, মায়ের স্বপ্ন পূরণ করাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমে ২০২৩ সালের শেষ দিকে সিনেমাটির বাকি কাজ শেষ করেন তিনি। শুধু শুটিং নয়, ডাবিং ও সম্পাদনার কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে। শাকের চিশতী জানিয়েছেন, সিনেমাটিকে আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করতেই সময় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাবটাইটেল সংযোজনের কাজ চলছে। দেশে মুক্তির প্রস্তুতিও প্রায় শেষ। সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে সিনেমাটি; ছাড়পত্র পেলেই মুক্তির পথে এগোবে। পরি

কবরীর শেষ স্বপ্ন পূরণে ছেলের লড়াই

ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’খ্যাত নন্দিত অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী আজও স্মরণে আছেন তার ভক্তদের হৃদয়ে। বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালি যুগের এই জনপ্রিয় নায়িকা ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তবে তার অসমাপ্ত স্বপ্ন ‘এই তুমি সেই তুমি’ সিনেমাটি ঘিরে এখনো চলছে আলোচনার ধারাবাহিকতা।

মৃত্যুর আগে সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষ করে এনেছিলেন কবরী। মাত্র দুই দিনের শুটিং বাকি ছিল। কিন্তু তার আকস্মিক প্রয়াণে থেমে যায় পুরো নির্মাণকাজ। সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ করার দায়িত্ব তুলে নেন তার ছেলে শাকের চিশতী।

জানা যায়, মায়ের স্বপ্ন পূরণ করাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রমে ২০২৩ সালের শেষ দিকে সিনেমাটির বাকি কাজ শেষ করেন তিনি। শুধু শুটিং নয়, ডাবিং ও সম্পাদনার কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।

শাকের চিশতী জানিয়েছেন, সিনেমাটিকে আন্তর্জাতিক মানে উপস্থাপন করতেই সময় নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাবটাইটেল সংযোজনের কাজ চলছে। দেশে মুক্তির প্রস্তুতিও প্রায় শেষ। সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে সিনেমাটি; ছাড়পত্র পেলেই মুক্তির পথে এগোবে।

পরিচালনায় কবরীর এটি দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আয়না’ দিয়ে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর সরকারি অনুদানে ‘এই তুমি সেই তুমি’ নির্মাণ শুরু করেন। এই সিনেমার কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপও লিখেছিলেন কবরী নিজেই।

বিশেষ বিষয় হলো, এই সিনেমার জন্য জীবনে প্রথমবার গানও লিখেছিলেন কবরী। গানটির সংগীত পরিচালনা করেন বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন কোনাল ও ইমরান মাহমুদুল।

সিনেমাটির গল্পে উঠে এসেছে দুটি সময়ের প্রেক্ষাপট-একটি বর্তমান, অন্যটি মুক্তিযুদ্ধের সময়। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিশাত নাওয়ার সালওয়া ও রায়হান রিয়াদ।

আরও পড়ুন:
শিল্পীদের নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, হুঁশিয়ারি দিলেন মিশা 
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত 

কবরী নেই, কিন্তু তার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার সন্তান। দর্শকরাও অপেক্ষায়-কবে বড় পর্দায় দেখা মিলবে প্রিয় নায়িকার শেষ নির্মাণ ‘এই তুমি সেই তুমি’।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow