কমছে পানি, খাগড়াছড়িতে উন্নতির পথে বন্যা পরিস্থিতি
গত কয়েকদিন ধরে টানা বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করলেও গত দুই দিন ধরে ভারী ও মুষলধারে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দীঘিনালার নিচু এলাকা থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে অনেকে নিজেদের ঘরে ফিরছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে মুষলধারে বৃষ্টি না হওয়ায় জেলার চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ আশপাশের ছড়া ও খালের পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে। ফলে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমে এলাকায় স্বস্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরতে শুরু করেছে। প্রায় চার দিন বন্ধ থাকার পর দীঘিনালা-লংগদু সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। হেডকোয়ার্টার এলাকা থেকে পানি কমে যাওয়ায় কারণে বিকেলে মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মেরুং বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হাই কালবেলাকে বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে মেরুং বাজার পানির নিচে ছিল। তবে শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। মাইনী নদীর পানিও কমে গেছে। এতে বাজারের পানি অনেকটাই নেমেছে। তবে মাইনী নদীর তীরবর্তী ও অত্যন্ত নিচু হওয়ায় দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে এখনও জলাবদ্ধতা রয়েছে। এদিকে ছোট
গত কয়েকদিন ধরে টানা বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করলেও গত দুই দিন ধরে ভারী ও মুষলধারে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দীঘিনালার নিচু এলাকা থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে অনেকে নিজেদের ঘরে ফিরছেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে মুষলধারে বৃষ্টি না হওয়ায় জেলার চেঙ্গী ও মাইনী নদীসহ আশপাশের ছড়া ও খালের পানি বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে। ফলে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমে এলাকায় স্বস্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরতে শুরু করেছে।
প্রায় চার দিন বন্ধ থাকার পর দীঘিনালা-লংগদু সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। হেডকোয়ার্টার এলাকা থেকে পানি কমে যাওয়ায় কারণে বিকেলে মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মেরুং বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল হাই কালবেলাকে বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে মেরুং বাজার পানির নিচে ছিল। তবে শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। মাইনী নদীর পানিও কমে গেছে। এতে বাজারের পানি অনেকটাই নেমেছে।
তবে মাইনী নদীর তীরবর্তী ও অত্যন্ত নিচু হওয়ায় দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে এখনও জলাবদ্ধতা রয়েছে।
এদিকে ছোট মেরুং বাজারসহ আশপাশের কিছু এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা তাদের ঘরবাড়ি এবং দোকানপাটপরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বন্যাদুর্গত এলাকায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় রান্না করা খিচুড়ি ও শুকনো খাবার বিতরণ করছেন।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিল পারভেজ বলেন, ‘বন্যায় উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেরুং ইউনিয়ন। এর মধ্যে এখন যারা আশ্রয় নিয়েছিল, তাদের অধিকাংশ ঘরবাড়িতে ফিরে গেছে। এখন নিজেদের ঘরবাড়ি পরিষ্কার করছে, তাদের বসবাসের উপযোগী করছে।’
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত কালবেলাকে বলেন, ‘বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। বন্যা দুর্গত একজন মানুষও যাতে ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয় আমরা সেভাবে কাজ করছি।’
What's Your Reaction?