কমছে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি 

সুনামগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি কমার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৯টার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রকাশিত দৈনিক পানির স্তর বুলেটিন অনুযায়ী, জেলার সব পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রেই নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুলেটিনে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ স্টেশনে পানি ৭.১৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমা (৭.৮০ মিটার) থেকে ০.৬১ মিটার নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। লাউরেরগড় স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.৮৪ মিটার, যা বিপদসীমার ১.২১ মিটার নিচে। এ এলাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ছাতক স্টেশনে পানি ৮.৫৬ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ০.১৪ মিটার নিচে থাকলেও এখনও নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দিরাই স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.০৮ মিটার এবং জগন্নাথপুর স্টেশনে ৬.৪৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। সোলেমানপুর স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.৪৩ মিটার। ডেরাই ও জগন্নাথপুর স্টেশনের জন্য নির্ধারিত বিপৎসীমা প্রযোজ্য নয়। সোলেমানপুর স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ০.৪৭ মিটার নিচে রয়েছে। ডেরাই এলাকায় সর্বোচ্চ ৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড ক

কমছে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি 
সুনামগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি কমার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৯টার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রকাশিত দৈনিক পানির স্তর বুলেটিন অনুযায়ী, জেলার সব পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রেই নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুলেটিনে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ স্টেশনে পানি ৭.১৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমা (৭.৮০ মিটার) থেকে ০.৬১ মিটার নিচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। লাউরেরগড় স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.৮৪ মিটার, যা বিপদসীমার ১.২১ মিটার নিচে। এ এলাকায় ৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ছাতক স্টেশনে পানি ৮.৫৬ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ০.১৪ মিটার নিচে থাকলেও এখনও নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দিরাই স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.০৮ মিটার এবং জগন্নাথপুর স্টেশনে ৬.৪৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। সোলেমানপুর স্টেশনে পানির উচ্চতা ৬.৪৩ মিটার। ডেরাই ও জগন্নাথপুর স্টেশনের জন্য নির্ধারিত বিপৎসীমা প্রযোজ্য নয়। সোলেমানপুর স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ০.৪৭ মিটার নিচে রয়েছে। ডেরাই এলাকায় সর্বোচ্চ ৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলেও জেলার নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে থাকায় তাৎক্ষণিক বন্যার আশঙ্কা নেই। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং উজানের বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলে পানির স্তরে পরিবর্তন আসতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow