কানাডায় শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কানাডার নায়াগ্রা অঞ্চলে ছুরিকাঘাতে এক ভারতীয় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গুজরাটের আনন্দ জেলায়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম বিদি কালপেশভাই মেঘা। তার বয়স ছিল ২২ বছর। বিদি গুজরাটের বরসাদ শহরের বাসিন্দা ছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি গত চার বছর ধরে কানাডায় বসবাস করছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খণ্ডকালীন কাজও করতেন এবং কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা পিআর পাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৪ মে শেষবারের মতো বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বিদি। এরপর ১৫ মে তিনি বাসা থেকে বের হন এবং তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। পরে কানাডার নায়াগ্রা অঞ্চলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সূত্র জানায়, ঘটনার প্রায় ১২ দিন পর বুধবার পরিবারকে এ বিষয়ে জানানো হয়। দেরিতে খবর পাওয়ায় পরিবারের শোক আরও বেড়েছে। স্বজনদের দাবি, নয়াদিল্লি থেকে কর্মকর্তারা তাদের এই ঘটনার তথ্য দিয়েছেন। কানাডিয়ান পুলিশ এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার
কানাডার নায়াগ্রা অঞ্চলে ছুরিকাঘাতে এক ভারতীয় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গুজরাটের আনন্দ জেলায়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম বিদি কালপেশভাই মেঘা। তার বয়স ছিল ২২ বছর।
বিদি গুজরাটের বরসাদ শহরের বাসিন্দা ছিলেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি গত চার বছর ধরে কানাডায় বসবাস করছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খণ্ডকালীন কাজও করতেন এবং কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা পিআর পাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৪ মে শেষবারের মতো বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বিদি। এরপর ১৫ মে তিনি বাসা থেকে বের হন এবং তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। পরে কানাডার নায়াগ্রা অঞ্চলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ঘটনার প্রায় ১২ দিন পর বুধবার পরিবারকে এ বিষয়ে জানানো হয়। দেরিতে খবর পাওয়ায় পরিবারের শোক আরও বেড়েছে। স্বজনদের দাবি, নয়াদিল্লি থেকে কর্মকর্তারা তাদের এই ঘটনার তথ্য দিয়েছেন।
কানাডিয়ান পুলিশ এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
বিদির এক চাচাও কানাডায় থাকেন। তবে পরিবারের দাবি, গত দেড় বছর ধরে তিনি আলাদাভাবে বসবাস করছিলেন।
বিদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বরসাদ শহরে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে বাড়িতে ভিড় করেন। বিদির মা বৈশালীবেন মেঘা শোকে ভেঙে পড়েন এবং কথা বলার অবস্থায় ছিলেন না। পরিবারের অন্য সদস্যরাও বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বিদির ফুফু স্নেহল মেঘা বলেন, ১৪ মে’র পর থেকে আমরা তার মুখটাও দেখতে পারিনি। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, যেন দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে, যাতে আর কোনো বাবা-মাকে এমন কষ্ট সহ্য করতে না হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
এমএসএম
What's Your Reaction?