কানে যাওয়ার আগেই নজর কাড়লেন অদিতি
ফরাসি রিভিয়েরার ঝলমলে আলো এখন বিশ্বের ফ্যাশনপ্রেমীদের চোখে। কারণ বছরের সবচেয়ে আলোচিত চলচ্চিত্র আয়োজন কান চলচ্চিত্র উৎসব শুধু সিনেমার মঞ্চ নয়, এটি তারকাদের স্টাইল যুদ্ধেরও সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী। আর সেই মঞ্চে পা রাখার আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এলেন অদিতি রাও হায়দারি। বিমানবন্দরে দেখা মিলল তার এক অনবদ্য ‘কোয়ায়েট লাক্সারি’ লুকের। চটকদার নয়, বরং পরিমিত সৌন্দর্য আর রুচিশীল ফ্যাশনের মিশেলে তৈরি সেই উপস্থিতি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। কারণ, অদিতির পোশাক শুধু দামি ছিল না, তার প্রতিটি স্টাইল পছন্দ যেন বলে দিচ্ছিল, ‘কম বলেও অনেক কিছু বলা যায়।’ কান-এর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় অদিতি বেছে নিয়েছিলেন একটি বেইজ রঙের ট্রেঞ্চ কোট, যার মূল্য প্রায় ৩৭ হাজার রুপি। ক্লাসিক কাটের এই কোটের সঙ্গে ছিল জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক টপ এবং ওয়াইড-লেগ ডেনিম। পুরো লুকটিতে ছিল এক ধরনের ইউরোপিয়ান মিনিমালিজম, যা সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন দুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয়। অতিরিক্ত গ্ল্যামার নয়, বরং স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে সামনে আনার এই প্রবণতাই এখন ‘কোয়ায়েট লাক্সারি’ নামে পরিচিত। অদিতির এই বিমানবন্দর লুক যেন সেই ধারারই নিখুঁ
ফরাসি রিভিয়েরার ঝলমলে আলো এখন বিশ্বের ফ্যাশনপ্রেমীদের চোখে। কারণ বছরের সবচেয়ে আলোচিত চলচ্চিত্র আয়োজন কান চলচ্চিত্র উৎসব শুধু সিনেমার মঞ্চ নয়, এটি তারকাদের স্টাইল যুদ্ধেরও সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী। আর সেই মঞ্চে পা রাখার আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এলেন অদিতি রাও হায়দারি।
বিমানবন্দরে দেখা মিলল তার এক অনবদ্য ‘কোয়ায়েট লাক্সারি’ লুকের। চটকদার নয়, বরং পরিমিত সৌন্দর্য আর রুচিশীল ফ্যাশনের মিশেলে তৈরি সেই উপস্থিতি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। কারণ, অদিতির পোশাক শুধু দামি ছিল না, তার প্রতিটি স্টাইল পছন্দ যেন বলে দিচ্ছিল, ‘কম বলেও অনেক কিছু বলা যায়।’
কান-এর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় অদিতি বেছে নিয়েছিলেন একটি বেইজ রঙের ট্রেঞ্চ কোট, যার মূল্য প্রায় ৩৭ হাজার রুপি। ক্লাসিক কাটের এই কোটের সঙ্গে ছিল জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক টপ এবং ওয়াইড-লেগ ডেনিম। পুরো লুকটিতে ছিল এক ধরনের ইউরোপিয়ান মিনিমালিজম, যা সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন দুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয়।
অতিরিক্ত গ্ল্যামার নয়, বরং স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে সামনে আনার এই প্রবণতাই এখন ‘কোয়ায়েট লাক্সারি’ নামে পরিচিত। অদিতির এই বিমানবন্দর লুক যেন সেই ধারারই নিখুঁত উদাহরণ।
তবে তার সাজের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে হাতে থাকা বিলাসবহুল লুই ভিটন ব্যাগটি। ব্যাগটির মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ রুপি। ফ্যাশন বিশ্লেষকদের মতে, পুরো লুকের কেন্দ্রবিন্দুই ছিল এই ব্যাগ। কারণ সাধারণ পোশাকের সঙ্গে একটি স্টেটমেন্ট অ্যাকসেসরিজ কীভাবে পুরো স্টাইলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে, সেটিই যেন দেখালেন অদিতি।
আজকের ফ্যাশন দুনিয়ায় ব্যাগ শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস বহনের মাধ্যম নয়; এটি ব্যক্তিত্ব, সামাজিক অবস্থান এবং স্টাইল সেন্সেরও প্রতীক। অদিতির এই নির্বাচন সেই বার্তাকেই আরও স্পষ্ট করেছে।
অদিতির পরা ওয়াইড-লেগ ডেনিমটিও ছিল বিশেষ আকর্ষণ। কেজিএল ব্র্যান্ডের এই কারুকার্যখচিত দুই-রঙা প্যানেলিং ডেনিমের মূল্য প্রায় ৩৮ হাজার রুপি। সাধারণ ডেনিম হলেও এর ডিজাইনে ছিল আধুনিক আর্টিস্টিক ছোঁয়া, যা পুরো লুককে আরও ফ্যাশন-ফরওয়ার্ড করে তুলেছে।
গত কয়েক বছরে অদিতি তার ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় লুক, রাজকীয় ব্যক্তিত্ব এবং নরম অভিব্যক্তির জন্য আলাদা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বিশেষ করে শাড়ি, মিনিমাল মেকআপ এবং জুয়েলারি ব্যবহারে তার রুচিশীলতা প্রায়ই প্রশংসিত হয়।
তাই এবার কান-এর রেড কার্পেটে তিনি কী পরবেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা। কেউ বলছেন, তিনি হয়তো ভারতীয় ঐতিহ্যের ছোঁয়া রাখবেন; আবার কেউ মনে করছেন, আন্তর্জাতিক হাই-ফ্যাশনের সঙ্গে ফিউশন লুকেই হাজির হবেন অভিনেত্রী।
তবে বিমানবন্দরের এই উপস্থিতি অন্তত একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছে অদিতি এবার কান-এ শুধু অংশ নিতে যাচ্ছেন না, তিনি ফ্যাশনের আলোচনাও নিজের দিকে টেনে নিতে প্রস্তুত।
জেএস/
What's Your Reaction?