কারাগারই যেন তাদের পরিবার

ঈদ উদযাপনে মেতেছে দেশ। ধনী-গরিব সব শ্রেণিপেশার মানুষ সাধ্যমতো নতুন পোশাক, পশু কোরবানি আর হরেক রকম খাবারের আয়োজন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শামিল হয়েছেন ঈদ আনন্দে। পরিবারের সান্নিধ্য না পেলেও ঈদের এ আনন্দ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হন না কারাবন্দিরাও। ঈদের দিনসহ টানা তিনদিন দেশের কারাগারগুলোর বন্দিদের জন্য রয়েছে বিশেষ আয়োজন। ঈদের এ সময়টাতে একদিন পরিবার থেকে পাঠানো খাবারও খেতে পারবেন। একদিন দেখাও করা যাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ফলে ঈদ এলে বন্দিদের কাছে কারাগারই যেন হয়ে উঠে পরিবার। ঈদের নামাজ দিয়ে দিন শুরু। এরপর তিন বেলা ভালো খাবার। পাশাপাশি কারা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনের মধ্যদিয়ে সময় কাটাচ্ছেন বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দিরা। থাকছে একদিন পরিবারের খাবার খাওয়ারও সুযোগ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত উল ফরহাদ এসব তথ্য জানান। কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন অর্থাৎ আজ সকাল ৮টায় বন্দিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে তাদের জন্য সকালের নাস্তায় রয়েছে পায়েস, সেমাই ও মুড়ি। এরপর সকাল ১০টা থেকে বন্দিদের সাংস্কৃতিক

কারাগারই যেন তাদের পরিবার

ঈদ উদযাপনে মেতেছে দেশ। ধনী-গরিব সব শ্রেণিপেশার মানুষ সাধ্যমতো নতুন পোশাক, পশু কোরবানি আর হরেক রকম খাবারের আয়োজন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শামিল হয়েছেন ঈদ আনন্দে। পরিবারের সান্নিধ্য না পেলেও ঈদের এ আনন্দ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হন না কারাবন্দিরাও।

ঈদের দিনসহ টানা তিনদিন দেশের কারাগারগুলোর বন্দিদের জন্য রয়েছে বিশেষ আয়োজন। ঈদের এ সময়টাতে একদিন পরিবার থেকে পাঠানো খাবারও খেতে পারবেন। একদিন দেখাও করা যাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ফলে ঈদ এলে বন্দিদের কাছে কারাগারই যেন হয়ে উঠে পরিবার।

ঈদের নামাজ দিয়ে দিন শুরু। এরপর তিন বেলা ভালো খাবার। পাশাপাশি কারা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনের মধ্যদিয়ে সময় কাটাচ্ছেন বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দিরা। থাকছে একদিন পরিবারের খাবার খাওয়ারও সুযোগ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত উল ফরহাদ এসব তথ্য জানান।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন অর্থাৎ আজ সকাল ৮টায় বন্দিদের ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে তাদের জন্য সকালের নাস্তায় রয়েছে পায়েস, সেমাই ও মুড়ি।

এরপর সকাল ১০টা থেকে বন্দিদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে। দুপুরে পোলাও, গরুর মাংস/খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, ডিম, কোল্ড ড্রিংকস, পান-সুপারি। রাতের খাবারে থাকছে সাদা ভাত, রুইমাছ ভাজা এবং আলুর দম।

জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে কারাগারে আসা দর্শনার্থীদের জন্য ফ্রি জুস কর্নার, চিপস এবং চকলেট খাওয়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও ঈদের দ্বিতীয় দিনে বন্দিদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং ঈদের তৃতীয় দিনে বন্দিদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, ঈদের দিন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের মধ্যে যে কোনো একদিন একবার পরিবারের দেওয়া খাবার দেওয়া হবে বন্দিদের। এই তিনদিনের যে কোনো একদিন সর্বোচ্চ ৫ মিনিট আনডিউ কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিটি কারাগার নিজেদের সাধ্যমত বন্দিদের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। দর্শনার্থীদের গ্রহণের জন্য বিশেষ আয়োজন ও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

কেআর/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow