কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে রায় ২৮ জুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক ব্যক্তিকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজন আসামি রয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান, সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম ভূইয়া এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার। তাদের মধ্যে চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার রয়েছেন। গত ২৯ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। আরও পড়ুন কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: ৫ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি: হাবিবসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে রায় ২৮ জুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক ব্যক্তিকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজন আসামি রয়েছেন।

সোমবার (১৫ জুন) ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান, সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম ভূইয়া এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকার। তাদের মধ্যে চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার রয়েছেন।

গত ২৯ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। একই বছরের ৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ৩১ জুলাই তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আমির হোসেন জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান। এ সময় পুলিশ গুলি শুরু করলে তিনি দৌড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের চারতলায় আশ্রয় নেন।

একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ভবনটিতে উঠে তাকে নিচে লাফ দিতে বলে। ভয় দেখাতে কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোড়া হয়। আতঙ্কে আমির হোসেন ভবনের রড ধরে ঝুলে পড়েন। তখন তৃতীয় তলা থেকে এক পুলিশ সদস্য তাকে লক্ষ্য করে ছয় রাউন্ড গুলি করেন। এতে তার দুই পায়ে গুলি লাগে।

পরে পুলিশ সেখান থেকে চলে গেলে তিনি কোনোরকমে তৃতীয় তলায় নেমে আসেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। গুরুতর আহত হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

একই দিনে রামপুরার বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এফএইচ/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow