কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার

দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত সংবাদের পর হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ শামীম আহমেদকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, গত ৯ জুন দৈনিক কালবেলার অনলাইনে ‘যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর বিষয় তুলে ধরা হয়, যেখানে একজন ব্যক্তিকে মাদক সেবন করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়। ওই ব্যক্তিকে যুবদল নেতা শেখ শামীম আহমেদ বলে উল্লেখ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি মাধবপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহর নজরে এলে তিনি ১০ জুন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং শেখ শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক পত্রে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেখ শামীম আহমেদকে জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের ওই আদেশ কেন্দ্রীয় যুবদলের অফিসিয়াল ফেস

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত সংবাদের পর হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ শামীম আহমেদকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, গত ৯ জুন দৈনিক কালবেলার অনলাইনে ‘যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর বিষয় তুলে ধরা হয়, যেখানে একজন ব্যক্তিকে মাদক সেবন করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়। ওই ব্যক্তিকে যুবদল নেতা শেখ শামীম আহমেদ বলে উল্লেখ করা হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি মাধবপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহর নজরে এলে তিনি ১০ জুন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং শেখ শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত এক পত্রে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেখ শামীম আহমেদকে জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের ওই আদেশ কেন্দ্রীয় যুবদলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবদলের বিভিন্ন নেতা-কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহিষ্কারাদেশের চিঠি শেয়ার করছেন। মাধবপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদল একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন। দল বা সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডকে আমরা সমর্থন করি না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অবহিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় যুবদল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুবদলের অবস্থান সবসময় কঠোর। ভবিষ্যতেও দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শেখ শামীম আহমেদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করা হয়েছে এবং টাকা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের শিকার। ভিডিওটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।’ উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল শেখ শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow