কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড জনপদ, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পুরো উপজেলা

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ওপর দিয়ে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে আকস্মিক এই ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা, ভেঙে পড়েছে ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঝড়ের সময় গাছ ও ঘর ভেঙে পড়ে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড়ের তীব্র বাতাসে বহু কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আংশিক ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহু ফলদ ও বনজ গাছপালা। রাস্তায় গাছ ভেঙে পড়ায় সাময়িকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বেশ কিছু এলাকা। এ ছাড়াও ঝড়ের আঘাতে বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং মেইন লাইনের তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ঝড়ের সময় ঘরবাড়ি ও ডালপালা ভেঙে পড়ার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল বলেন, ঝড়ের পরপরই আমরা মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লন্ডভন্ড জনপদ, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পুরো উপজেলা
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ওপর দিয়ে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে আকস্মিক এই ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা, ভেঙে পড়েছে ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঝড়ের সময় গাছ ও ঘর ভেঙে পড়ে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝড়ের তীব্র বাতাসে বহু কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আংশিক ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহু ফলদ ও বনজ গাছপালা। রাস্তায় গাছ ভেঙে পড়ায় সাময়িকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বেশ কিছু এলাকা। এ ছাড়াও ঝড়ের আঘাতে বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং মেইন লাইনের তার ছিঁড়ে গেছে। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। ঝড়ের সময় ঘরবাড়ি ও ডালপালা ভেঙে পড়ার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল বলেন, ঝড়ের পরপরই আমরা মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow