কালুখালীতে ‘ধলতা’ বন্ধসহ আট দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ

রাজবাড়ীতে প্রতি মণ ধানের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণ, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে ক্রয়কেন্দ্র চালু ও হাটবাজারে খাজনার তালিকা প্রদর্শন ও বাজারে ‘ধলতা’ নেয়া বন্ধসহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলার কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের লাড়িবাড়ি বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কালুখালী ও পাংশা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন সভাপতিত্ব করেন। এ সময় জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মন্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খাঁ, পাংশা পুঁইজোর গ্রামের গ্রামের কৃষক জাকির মিয়া বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, কৃষকেরা ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফসল উৎপাদন করেন। কিন্তু সেই ফসল বাজারে নিলে ন্যায্যদাম পাওয়া যায় না। বর্তমানে বেরো মৌসুমে বাজারে প্রতি মণ ধান ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচ এর চেয়ে বেশি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালীরা সরকারের কাছে ধান বিক্রি করেন। প্রকৃত কৃষ

কালুখালীতে ‘ধলতা’ বন্ধসহ আট দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ

রাজবাড়ীতে প্রতি মণ ধানের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণ, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে ক্রয়কেন্দ্র চালু ও হাটবাজারে খাজনার তালিকা প্রদর্শন ও বাজারে ‘ধলতা’ নেয়া বন্ধসহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে জেলার কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের লাড়িবাড়ি বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কালুখালী ও পাংশা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মন্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খাঁ, পাংশা পুঁইজোর গ্রামের গ্রামের কৃষক জাকির মিয়া বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, কৃষকেরা ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফসল উৎপাদন করেন। কিন্তু সেই ফসল বাজারে নিলে ন্যায্যদাম পাওয়া যায় না। বর্তমানে বেরো মৌসুমে বাজারে প্রতি মণ ধান ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচ এর চেয়ে বেশি।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালীরা সরকারের কাছে ধান বিক্রি করেন। প্রকৃত কৃষকদের ধান বিক্রি বিক্রি করতে কষ্ট হয়। পিঁয়াজ সংরক্ষণের ঘর বিতরণে দুর্নীতি ও অনিময় হয়েছে। বিভিন্ন বাজারে ‘ধলতা’ না দিলে পিঁয়াজ কেনা বেচা বন্ধ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

সমাবেশ শেষ লাড়িবাড়ি বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি বাজার প্রদক্ষিণ করে। এতে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার শত শত কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow