কিংবদন্তি শ্যুটার যশপল রানার আকস্মিক মৃত্যু
ভারতের শ্যুটিং ইতিহাসের অন্যতম মহাতারকা এবং প্রখ্যাত কোচ যশপল রানা আর নেই। শুক্রবার সকালে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জার্মানির মিউনিখে আইএসএসএফ বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। যশপল রানার খেলোয়াড়ি ও কোচিং ক্যারিয়ার ছিল রূপকথার মতো। এশিয়ান গেমসে ৪টি স্বর্ণপদক এবং কমনওয়েলথ গেমসে ১৫টি পদক জিতে তিনি ভারতের শ্যুটিংকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে অর্জুন পুরস্কার এবং ২০২০ সালে দ্রোণাচার্য পুরস্কারে ভূষিত হন এই কিংবদন্তি। খেলোয়াড়ি জীবনের পর কোচ হিসেবেও তিনি ছিলেন সমান সফল। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়া ডাবল ব্রোঞ্জজয়ী শ্যুটার মনু ভাকরের প্রধান মেন্টর ও মাস্টারমাইন্ড ছিলেন যশপল রানা। মনুর ক্যারিয়ারের চরম বিপর্যয়ের সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে অলিম্পিকের মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি। তার এই অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে উপমহাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যশপল রানা ২০০৪ সালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয
ভারতের শ্যুটিং ইতিহাসের অন্যতম মহাতারকা এবং প্রখ্যাত কোচ যশপল রানা আর নেই। শুক্রবার সকালে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জার্মানির মিউনিখে আইএসএসএফ বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
যশপল রানার খেলোয়াড়ি ও কোচিং ক্যারিয়ার ছিল রূপকথার মতো। এশিয়ান গেমসে ৪টি স্বর্ণপদক এবং কমনওয়েলথ গেমসে ১৫টি পদক জিতে তিনি ভারতের শ্যুটিংকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে অর্জুন পুরস্কার এবং ২০২০ সালে দ্রোণাচার্য পুরস্কারে ভূষিত হন এই কিংবদন্তি।
খেলোয়াড়ি জীবনের পর কোচ হিসেবেও তিনি ছিলেন সমান সফল। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়া ডাবল ব্রোঞ্জজয়ী শ্যুটার মনু ভাকরের প্রধান মেন্টর ও মাস্টারমাইন্ড ছিলেন যশপল রানা। মনুর ক্যারিয়ারের চরম বিপর্যয়ের সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে অলিম্পিকের মঞ্চে ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি।
তার এই অকাল ও আকস্মিক মৃত্যুতে উপমহাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
যশপল রানা ২০০৪ সালে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় গেমসে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (বিএসপিএ) বিচারে সেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ক্রীড়ালেখক সমিতির প্রতিনিধি হিসেবে এই প্রতিবেদক যশপল রানার হাতে সেরা ক্রীড়াবিদদের পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন। ওই গেমসে সেরা নারী ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের শ্যুটার শারমিন আক্তার।
আরআই/আইএন
What's Your Reaction?