কিউআর কোড স্ক্যান করার আগে যে ৫টি বিষয় অবশ্যই দেখবেন
বর্তমান সময়ে কেনাকাটা, রেস্তোরাঁয় বিল পরিশোধ, ওয়েবসাইট ভিজিট কিংবা অ্যাপ ডাউনলোডের জন্য কিউআর (QR) কোড একটি অত্যন্ত সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ব্যাংক, দোকানপাট থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনের পোস্টার; সবখানেই এখন এর ব্যবহার লক্ষণীয়। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও।
সাইবার অপরাধীরা অনেক সময় জাল কিউআর কোড ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই নিরাপদে কিউআর কোড ব্যবহারের জন্য নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখুন:
১. কিউআর কোডটি আসল কি না নিশ্চিত হোন
জনসমক্ষে থাকা সব কিউআর কোড নিরাপদ নাও হতে পারে। অপরাধীরা অনেক সময় পার্কিং লট বা রেস্তোরাঁর আসল কিউআর কোডের ওপর নিজেদের জাল কোডের স্টিকার বসিয়ে দেয়। তাই স্ক্যান করার আগে ভালো করে লক্ষ্য করুন কোডটি কোনো কিছুর ওপর আলাদাভাবে বসানো কি না বা এটি দেখতে অস্বাভাবিক লাগছে কি না। কোনো সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীর কাছ থেকে সঠিক কোডটি জেনে নিন।
২. লিঙ্কটি ওপেন করার আগে ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেখুন
অধিকাংশ স্মার্টফোনে কিউআর কোড স্ক্যান করার পর স্ক্রিনে ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইউআরএল (
বর্তমান সময়ে কেনাকাটা, রেস্তোরাঁয় বিল পরিশোধ, ওয়েবসাইট ভিজিট কিংবা অ্যাপ ডাউনলোডের জন্য কিউআর (QR) কোড একটি অত্যন্ত সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ব্যাংক, দোকানপাট থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনের পোস্টার; সবখানেই এখন এর ব্যবহার লক্ষণীয়। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও।
সাইবার অপরাধীরা অনেক সময় জাল কিউআর কোড ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই নিরাপদে কিউআর কোড ব্যবহারের জন্য নিচের ৫টি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখুন:
১. কিউআর কোডটি আসল কি না নিশ্চিত হোন
জনসমক্ষে থাকা সব কিউআর কোড নিরাপদ নাও হতে পারে। অপরাধীরা অনেক সময় পার্কিং লট বা রেস্তোরাঁর আসল কিউআর কোডের ওপর নিজেদের জাল কোডের স্টিকার বসিয়ে দেয়। তাই স্ক্যান করার আগে ভালো করে লক্ষ্য করুন কোডটি কোনো কিছুর ওপর আলাদাভাবে বসানো কি না বা এটি দেখতে অস্বাভাবিক লাগছে কি না। কোনো সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীর কাছ থেকে সঠিক কোডটি জেনে নিন।
২. লিঙ্কটি ওপেন করার আগে ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেখুন
অধিকাংশ স্মার্টফোনে কিউআর কোড স্ক্যান করার পর স্ক্রিনে ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইউআরএল (URL) দেখায়। লিঙ্কে ক্লিক করার আগে কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে সেটি ভালোভাবে পড়ুন। যদি ঠিকানায় কোনো বানান ভুল থাকে বা এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে না মেলে, তবে সেটি ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন।
৩. ব্যক্তিগত বা ব্যাংকিং তথ্য দিতে তাড়াহুড়ো করবেন না
স্ক্যান করার পর কোনো ওয়েবসাইট দেখতে আসল মনে হলেও সেখানে দ্রুত আপনার পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য বা সংবেদনশীল কোনো ডেটা প্রবেশ করাবেন না। প্রতারকরা হুবহু আসল সাইটের মতো দেখতে জাল ওয়েবসাইট তৈরি করে মানুষের লগইন তথ্য চুরি করে। ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে কিউআর কোডের চেয়ে ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করা বা সরাসরি ব্রাউজারে ঠিকানা লিখে প্রবেশ করা বেশি নিরাপদ।
৪. অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন
অনেক সময় কিউআর কোডের মাধ্যমে মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোডের পরামর্শ দেওয়া হয়। উৎসটি নির্ভরযোগ্য না হলে সরাসরি কিউআর কোড থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। এর বদলে সরাসরি গুগল প্লে-স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ-স্টোরে গিয়ে প্রয়োজনীয় অ্যাপটি খুঁজে নিয়ে ডাউনলোড করা অনেক বেশি নিরাপদ।
৫. স্মার্টফোনটি সব সময় আপডেট রাখুন
আপনার ফোনের সফটওয়্যার এবং অ্যাপগুলো নিয়মিত আপডেট করা নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে অনেক নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধন করা হয় যা হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে ফোনকে রক্ষা করে। এছাড়া ফোনের নিরাপত্তা বাড়াতে স্ক্রিন লক ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু রাখুন।
প্রযুক্তির এই যুগে সচেতনতাই আপনার শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা। কিউআর কোড ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি ডিজিটাল জালিয়াতি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন।
তথ্যসূত্র: ট্রিবিউন অনলাইন