কিউবাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দখল’ করা হতে পারে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো কিউবার পরিস্থিতির দিকে নজর দিচ্ছে। হোয়াইট হাউজের পরিকল্পনায় দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দখল’ নেওয়ার বিষয়টি থাকতে পারে কিংবা নাও থাকতে পারে বলে সোমবার (৯ মার্চ) জানান তিনি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেই প্রথমবারের মতো কিউবার ওপর সম্ভাব্য ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দখল’ নেওয়ার ধারণা প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করলেও তার প্রশাসন এখনো কিউবায় সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার বিষয়টি দেখভাল করছেন। তিনি বলেন, রুবিও বিষয়টি দেখছেন, আর এটি বন্ধুত্বপূর্ণ দখল হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। এতে আসলে তেমন পার্থক্য নেই, কারণ তারা এখন প্রায় শেষ অবস্থায় পৌঁছে গেছে। বলতে গেলে, একেবারে নিঃশেষের পথে। তাদের কোনো জ্বালানি নেই, কোনো অর্থও নেই। ট্রাম্প আরও বলেন, তারা হয় একটি চুক্তি করবে, নাহলে আমরা খুব সহজেই আমাদের মতো করে বিষয়টি করে ফেলবো। জানুয়ারি থেকে কিউবা তীব্র জ্ব

কিউবাকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দখল’ করা হতে পারে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো কিউবার পরিস্থিতির দিকে নজর দিচ্ছে। হোয়াইট হাউজের পরিকল্পনায় দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ‘বন্ধুত্বপূর্ণভাবে দখল’ নেওয়ার বিষয়টি থাকতে পারে কিংবা নাও থাকতে পারে বলে সোমবার (৯ মার্চ) জানান তিনি।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেই প্রথমবারের মতো কিউবার ওপর সম্ভাব্য ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দখল’ নেওয়ার ধারণা প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করলেও তার প্রশাসন এখনো কিউবায় সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার বিষয়টি দেখভাল করছেন।

তিনি বলেন, রুবিও বিষয়টি দেখছেন, আর এটি বন্ধুত্বপূর্ণ দখল হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। এতে আসলে তেমন পার্থক্য নেই, কারণ তারা এখন প্রায় শেষ অবস্থায় পৌঁছে গেছে। বলতে গেলে, একেবারে নিঃশেষের পথে। তাদের কোনো জ্বালানি নেই, কোনো অর্থও নেই।

ট্রাম্প আরও বলেন, তারা হয় একটি চুক্তি করবে, নাহলে আমরা খুব সহজেই আমাদের মতো করে বিষয়টি করে ফেলবো।

জানুয়ারি থেকে কিউবা তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে রয়েছে। ওই সময় মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর কারাকাস থেকে হাভানায় জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে কিউবা তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেলের উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিউবা বর্তমানে অর্থনৈতিক ধসের মুখোমুখি ও দেশটির সরকার ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন যে কিউবার সরকার ‘পতনের মুখে’ ও দেশটির নেতারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, কিউবা উচ্চপর্যায়ের কোনো আলোচনা হওয়ার খবর অস্বীকার করেছে। তবে সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর নাতি রাউল গুইয়ের্মো রদ্রিগেজ কাস্ত্রোর সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের ‘অনানুষ্ঠানিক আলোচনা’ হয়েছে- এমন প্রতিবেদনের বিষয়টি কিউবা কর্তৃপক্ষ সরাসরি অস্বীকারও করেনি।

দশকের পর দশক ধরে কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকলেও শীতল যুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে হাভানায় সরকার পরিবর্তনের কথা বলছেন এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

ভেনেজুয়েলা ও কিউবার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এই অবস্থান তার ‘মনরো নীতি’ পুনরুজ্জীবনের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর ওই নীতিতে বলা হয়েছিল, পশ্চিম গোলার্ধ কেবল যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের অধীনে থাকবে ও অন্য কোনো বিদেশি শক্তির সেখানে প্রভাব থাকা উচিত নয়।

সূত্র: রয়টার্স

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow