কিশোর হত্যার ১০ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে হত্যার ঘটনায় প্রায় ১০ বছর পর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলার একমাত্র আসামি মো. জনীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. মরিয়ম-মুন-মুজুরী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জনী (৩১) নেত্রকোনা সদর উপজেলার রাজুর বাজার এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর জাকির হোসেন (১৭) মদন উপজেলার হাসনপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরদিন সকালে তাকে বাড়ির উদ্দেশ্যে একটি টেম্পুতে তুলে দেওয়া হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে ১৭ অক্টোবর রাজুর বাজার এলাকার একটি ব্রয়লার খামারের পেছনের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় নাইলনের রশি প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মঞ্জু মিয়া নেত্রকোনা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামি মো. জনীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়ায় ক্ষোভের বশে জাকির

কিশোর হত্যার ১০ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে হত্যার ঘটনায় প্রায় ১০ বছর পর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলার একমাত্র আসামি মো. জনীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা. মরিয়ম-মুন-মুজুরী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জনী (৩১) নেত্রকোনা সদর উপজেলার রাজুর বাজার এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর জাকির হোসেন (১৭) মদন উপজেলার হাসনপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরদিন সকালে তাকে বাড়ির উদ্দেশ্যে একটি টেম্পুতে তুলে দেওয়া হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে ১৭ অক্টোবর রাজুর বাজার এলাকার একটি ব্রয়লার খামারের পেছনের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের গলায় নাইলনের রশি প্যাঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মঞ্জু মিয়া নেত্রকোনা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামি মো. জনীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, ধার দেওয়া টাকা ফেরত না দেওয়ায় ক্ষোভের বশে জাকিরকে হত্যা করে মরদেহ বিলের পানিতে ফেলে দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow