কিশোরগঞ্জে ধান কেটে বোরো উৎসবের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

বৈশাখের প্রাণবন্ত আবহ আর চিরচেনা গ্রামবাংলার “মাছে-ভাতে বাঙালি” সংস্কৃতির আবেশে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত জনপদে বোরো ধান ও নমুনা শস্য কর্তনের আনন্দঘন শুভ উদ্বোধন এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী আয়োজন গ্রামীণ জীবনের প্রাণচাঞ্চল্যকে নতুন করে তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বোরো ধান কর্তনের সূচনা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। তিনি কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকরাই মূল চালিকাশক্তি।” পরে তিনি নিজ হাতে ধান কেটে কৃষকদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তে অংশ নেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান, করিমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমা, করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরানুল কবির প্রমুখসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তার

কিশোরগঞ্জে ধান কেটে বোরো উৎসবের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

বৈশাখের প্রাণবন্ত আবহ আর চিরচেনা গ্রামবাংলার “মাছে-ভাতে বাঙালি” সংস্কৃতির আবেশে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত জনপদে বোরো ধান ও নমুনা শস্য কর্তনের আনন্দঘন শুভ উদ্বোধন এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী আয়োজন গ্রামীণ জীবনের প্রাণচাঞ্চল্যকে নতুন করে তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বোরো ধান কর্তনের সূচনা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। তিনি কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকরাই মূল চালিকাশক্তি।”

পরে তিনি নিজ হাতে ধান কেটে কৃষকদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তে অংশ নেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান, করিমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমা, করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরানুল কবির প্রমুখসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বোরো ধান দেশের খাদ্য উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ভরসা। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং কৃষকদের নিরলস শ্রমের সমন্বয়েই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়, যেখানে তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও কৃষি উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

সব মিলিয়ে বৈশাখের উচ্ছ্বাসে ভরপুর এই আয়োজন গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, কৃষকের গর্ব এবং উৎপাদনের আনন্দকে একসঙ্গে উদযাপনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow