কিশোরদের কানে ধরে ওঠবস বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরিয়ে উঠবস করিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এবার সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। রোববার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কালবেলার পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-  ‘শিশু-কিশোরের দোষ কী? শুধু সেন্ট্রাল ফিল্ডে খেলতে আসে’ ঘটনা :  ১৪ অক্টোবর ২০২৫  ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটবল টুর্নামেন্টের জন্য আমরা প্রাকটিসের জন্য সেন্ট্রাল ফিল্ডে যাই সাইকেল নিয়ে। আমরা সাইকেল তালা দিয়ে রেখে প্রাকটিস করি এবং প্রাকটিস শেষে সাইকেল খুঁজে পাচ্ছিলাম না, তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুজির পর যখন পেলাম না তখন ফুটবলের দায়িত্বে থাকা জালাল স্যারের সঙ্গে দেখা করি সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য, তিনি কথা বলতে বলেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক জাকারিয়া স্যারের সঙ্গে, তখন স্যার মাঠে ছিলেন না। আমরা কল দিলে স্যার একটু পর আসে এবং আমাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখায়। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে আমরা দেখতে পাই একটা কম বয়সি ছেলে সাইকেলটি বে

কিশোরদের কানে ধরে ওঠবস বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সর্বমিত্র
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরিয়ে উঠবস করিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এবার সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। রোববার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কালবেলার পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-  ‘শিশু-কিশোরের দোষ কী? শুধু সেন্ট্রাল ফিল্ডে খেলতে আসে’ ঘটনা :  ১৪ অক্টোবর ২০২৫  ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটবল টুর্নামেন্টের জন্য আমরা প্রাকটিসের জন্য সেন্ট্রাল ফিল্ডে যাই সাইকেল নিয়ে। আমরা সাইকেল তালা দিয়ে রেখে প্রাকটিস করি এবং প্রাকটিস শেষে সাইকেল খুঁজে পাচ্ছিলাম না, তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুজির পর যখন পেলাম না তখন ফুটবলের দায়িত্বে থাকা জালাল স্যারের সঙ্গে দেখা করি সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য, তিনি কথা বলতে বলেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক জাকারিয়া স্যারের সঙ্গে, তখন স্যার মাঠে ছিলেন না। আমরা কল দিলে স্যার একটু পর আসে এবং আমাদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখায়। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে আমরা দেখতে পাই একটা কম বয়সি ছেলে সাইকেলটি বের করে নিয়ে চলে যায় এবং ছেলেটির কাঁধে তখন স্পোর্টসের প্রাকটিস ব্যাগ ছিল। পরে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে শাহবাগ থানায় গেলে ওনারা জানায় সাইকেল হারানোর জিডি হয় না, তবে একটা লিখিত অভিযোগ নেয়। সাইকেল হারানো ব্যক্তি :  মাহফিজুর রহমান আবির  রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০২৩-২৪  মুহসিন হল।  সম্পূর্ণ সময় সাথে ছিলেন মো. মনির হোসেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২০২৩-২৪  বিজয় একাত্তর হল এমন অনেক ঘটনা আছে অহরহ। প্রশাসনের কাছে আবেদন করলে দেয়াল সংস্কারের ফাইল ফিরে আসে, বলা হয় বাজেট নেই। এদিকে প্রতিদিন আমাদের শিক্ষার্থীরা মোবাইল হারায় , মানিব্যাগ হারায়, সাইকেল হারায়। বারবার মানা করার পরও আসে, স্টাফদের ওপর ঢিল ছোড়ে পালায় দেয়াল টপকিয়ে, এদিকে দেয়ালের বেহাল দশা। প্রশাসনের অসহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের জন্য এর চাইতে আর কী করার আছে?

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow