কী আছে বরফের নিচে, এবার আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

অ্যান্টার্কটিকার বিশাল বরফস্তরের নিচে লুকিয়ে থাকা ভূখণ্ডের চিত্র এবার আগের চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে নতুন একটি মানচিত্রে। স্যাটেলাইট ডেটা ও মহাদেশজুড়ে গ্লেশিয়ারের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এই মানচিত্র তৈরি করেছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে গবেষকরা বরফের নিচের পৃষ্ঠের সম্ভাব্য গঠন অনুমান করেছেন। এতে হাজার হাজার বছর পুরোনো অজানা পাহাড়, ঢেউয়ের মতো ভূ-আকৃতি এবং একাধিক লুকানো পর্বতমালা আগের যেকোনো মানচিত্রের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। যদিও মানচিত্রটি সম্পূর্ণ নির্ভুল নয় এবং এতে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রেক্ষাপটে অ্যান্টার্কটিকা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে তা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বরফের গলন ও পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে এই গবেষণাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আগে সাবগ্লেশিয়াল টপোগ্রাফি মানচিত্রায়নের জন্য মূলত ভূমি-ভিত্তিক বা আকাশপথে রাডার জরিপের ওপর নির্ভর করা হতো। তবে কিছু এলাকায় বরফের পুরুত্ব ত

কী আছে বরফের নিচে, এবার আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

অ্যান্টার্কটিকার বিশাল বরফস্তরের নিচে লুকিয়ে থাকা ভূখণ্ডের চিত্র এবার আগের চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে নতুন একটি মানচিত্রে। স্যাটেলাইট ডেটা ও মহাদেশজুড়ে গ্লেশিয়ারের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এই মানচিত্র তৈরি করেছেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে গবেষকরা বরফের নিচের পৃষ্ঠের সম্ভাব্য গঠন অনুমান করেছেন। এতে হাজার হাজার বছর পুরোনো অজানা পাহাড়, ঢেউয়ের মতো ভূ-আকৃতি এবং একাধিক লুকানো পর্বতমালা আগের যেকোনো মানচিত্রের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

যদিও মানচিত্রটি সম্পূর্ণ নির্ভুল নয় এবং এতে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবে বিজ্ঞানীদের মতে এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রেক্ষাপটে অ্যান্টার্কটিকা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে তা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বরফের গলন ও পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে এই গবেষণাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে সাবগ্লেশিয়াল টপোগ্রাফি মানচিত্রায়নের জন্য মূলত ভূমি-ভিত্তিক বা আকাশপথে রাডার জরিপের ওপর নির্ভর করা হতো। তবে কিছু এলাকায় বরফের পুরুত্ব তিন মাইল পর্যন্ত হওয়ায় এসব জরিপ নির্দিষ্ট ফ্লাইটপাথ বা সীমিত ট্র্যাকের মধ্যেই আটকে থাকত।

ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের অধ্যাপক রবার্ট বিংহাম বলেন, পুরো অ্যান্টার্কটিকার ভূখণ্ড একসঙ্গে দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই উত্তেজনাপূর্ণ ও বিস্ময়কর। তিনি আরও বলেন, এটি অনেকটা স্কটিশ হাইল্যান্ডস বা ইউরোপীয় আলপস পাহাড় বরফে ঢাকা অবস্থায় দেখার মতো।

বিজ্ঞানীদের আশা, এই নতুন মানচিত্র ভবিষ্যতে জলবায়ু গবেষণা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তন পূর্বাভাসে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow