কুকুরের কামড়ে আহত বিচারক, এক বছরে শতাধিক আক্রান্ত
মেহেরপুরে এবার কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ আলী মাসুদ সেখ। এর আগে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষ বারবার বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণের শিকার হলেও এবার একজন বিচারক আক্রান্ত হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ৮টার দিকে হাঁটাহাঁটি করতে বের হন বিচারক আলী মাসুদ সেখ। এ সময় আদালত চত্বরের পাশে একটি বেওয়ারিশ কুকুর তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একাধিক স্থানে কামড় দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়। মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফারুক আহমেদ এবং লিপু সুলতান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘গুরুতর আহত অবস্থায় বিচারককে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুল হাসান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদসহ কয়েকজন চিকিৎসকের একটি দল দ্রুত তার চিকিৎসা শুরু করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়ার পর তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান।’ এদিকে গত এক বছরের বিভিন্ন জ
মেহেরপুরে এবার কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ আলী মাসুদ সেখ।
এর আগে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষ বারবার বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণের শিকার হলেও এবার একজন বিচারক আক্রান্ত হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ৮টার দিকে হাঁটাহাঁটি করতে বের হন বিচারক আলী মাসুদ সেখ। এ সময় আদালত চত্বরের পাশে একটি বেওয়ারিশ কুকুর তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একাধিক স্থানে কামড় দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়।
মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ফারুক আহমেদ এবং লিপু সুলতান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘গুরুতর আহত অবস্থায় বিচারককে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুল হাসান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদসহ কয়েকজন চিকিৎসকের একটি দল দ্রুত তার চিকিৎসা শুরু করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দেওয়ার পর তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে যান।’
এদিকে গত এক বছরের বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বড় ঘটনাগুলোর হিসাব অনুযায়ী অন্তত ১০০ জনের বেশি মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাবলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত ১৪ জুন গাংনী পৌর শহরে একটি পাগলা কুকুর প্রায় দেড় ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে অন্তত ১৭ জনকে কামড়ায়। আহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ ছিলেন। এক মাস পর, ১৭ জুলাই গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে ৪ থেকে ৫টি বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এ ছাড়া গত এক বছরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অসংখ্য মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে একই এলাকায় স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক গণ-কামড়ের ঘটনা বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
What's Your Reaction?