কুমিল্লা শিশুদের দিয়ে চাঁদা সংগ্রহকালে আটক
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় শিশুদের দিয়ে মাদ্রাসার নামে চাঁদা সংগ্রহের ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তিন শিশুকে আটক করে বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানালে প্রতিনিধি এসে তাদের নিয়ে যান।বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে বারপাড়া দক্ষিণপাড়া দারুস সালাম মসজিদের সামনে তিন শিশু “ফয়জানে মদিনা কমপ্লেক্স (শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত) হাফেজিয়া মাদ্রাসা”, জাগুরজুলি রহিমপুর বিশ্বরোড, আদর্শ সদর, কুমিল্লার লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের জন্য চাঁদা সংগ্রহ করছিল বলে জানা যায়। আটক শিশুদের মধ্যে রয়েছে- চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি আবু বকর ছিদ্দিক-এর পুত্র মো. শামসুসজোহা (১২), কুমিল্লার চান্দিনার আড়িখলার মনির হোসেনের পুত্র মো. সাইমুন (১৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দভাগ বাজার এলাকার মো: অলি-এর পুত্র মো: রাফি (১২)। স্থানীয়রা জানান, এত ছোট শিশুদের একা একা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে চাঁদা সংগ্রহ করতে দেখে তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তাদের আটক করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মোঃ বোরদার মাওলা আখতারীর সঙ্গে মোবাইল
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় শিশুদের দিয়ে মাদ্রাসার নামে চাঁদা সংগ্রহের ঘটনা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তিন শিশুকে আটক করে বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানালে প্রতিনিধি এসে তাদের নিয়ে যান।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে বারপাড়া দক্ষিণপাড়া দারুস সালাম মসজিদের সামনে তিন শিশু “ফয়জানে মদিনা কমপ্লেক্স (শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত) হাফেজিয়া মাদ্রাসা”, জাগুরজুলি রহিমপুর বিশ্বরোড, আদর্শ সদর, কুমিল্লার লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের জন্য চাঁদা সংগ্রহ করছিল বলে জানা যায়।
আটক শিশুদের মধ্যে রয়েছে- চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি আবু বকর ছিদ্দিক-এর পুত্র মো. শামসুসজোহা (১২), কুমিল্লার চান্দিনার আড়িখলার মনির হোসেনের পুত্র মো. সাইমুন (১৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দভাগ বাজার এলাকার মো: অলি-এর পুত্র মো: রাফি (১২)।
স্থানীয়রা জানান, এত ছোট শিশুদের একা একা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে চাঁদা সংগ্রহ করতে দেখে তাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তাদের আটক করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মোঃ বোরদার মাওলা আখতারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, প্রতি রমজানেই তারা এভাবে মাদ্রাসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন।
শিশুদের একা পাঠানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে আরও দুজন রয়েছে। পরে মাদ্রাসার প্রতিনিধি হিসেবে মহিউদ্দিন (পিতা: আলম উল্লাহ, গ্রাম: উম্মেদনগর, হবিগঞ্জ সদর) এবং মোঃ হারুনুর রশিদ (পিতা: ফারুক মিয়া, বাগজোড়, হবিগঞ্জ) ঘটনাস্থলে এসে শিশুদের নিয়ে যান। এ সময় তারা বিষয়টিকে ভুল স্বীকার করে ভবিষ্যতে শিশুদের দিয়ে এভাবে চাঁদা সংগ্রহ না করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এদিকে স্থানীয় সাধারণ মানুষ বলেন, একটি মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা পরিচালনা কমিটি বা দায়িত্বশীলদের কাজ। শিশুদের দিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করানো মোটেও সঠিক নয়। তারা প্রশ্ন তোলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই ধরনের চর্চা পরিবর্তন হবে কবে।
What's Your Reaction?