কুমিল্লা-৩ আসনে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জমা রাখা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোট দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট। ঘোষিত ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন

কুমিল্লা-৩ আসনে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জমা রাখা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২–এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোট দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট।

ঘোষিত ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি সাতজন প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম ৩,৩৮০ ভোট। আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক ২৪৮ ভোট। গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান ২১৭ ভোট। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক  ৫৩৮ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম ৬৮৮ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার ১৮০ ভোট। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ ১৫০ ভোট।

নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow