কুমিল্লার নতুন উপজেলা ‘বাঙ্গরা বাজার’
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ভেঙে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন উপজেলা ‘বাঙ্গরা বাজার’। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও স্থানীয় জনগণের দাবির পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় বাঙ্গরা বাজার উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন এ উপজেলার যাত্রা শুরু হলো। নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো শ্রীকাইল, আকুবপুর, আন্দিকোট, পূর্বধইর পূর্ব, পূর্বধইর পশ্চিম, বাঙ্গরা পূর্ব (সদর), বাঙ্গরা পশ্চিম, চাপিতলা, রামচন্দ্রপুর উত্তর ও টনকী। নতুন উপজেলা ঘোষণার খবরে বাঙ্গরা ও মুরাদনগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হাটবাজার ও গ্রামাঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এতদিন প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের জন্য প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে মুরাদনগর উপজেলা স
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ভেঙে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন উপজেলা ‘বাঙ্গরা বাজার’। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও স্থানীয় জনগণের দাবির পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় বাঙ্গরা বাজার উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে নতুন এ উপজেলার যাত্রা শুরু হলো।
নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো শ্রীকাইল, আকুবপুর, আন্দিকোট, পূর্বধইর পূর্ব, পূর্বধইর পশ্চিম, বাঙ্গরা পূর্ব (সদর), বাঙ্গরা পশ্চিম, চাপিতলা, রামচন্দ্রপুর উত্তর ও টনকী।
নতুন উপজেলা ঘোষণার খবরে বাঙ্গরা ও মুরাদনগরজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হাটবাজার ও গ্রামাঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এতদিন প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের জন্য প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে মুরাদনগর উপজেলা সদরে যেতে হতো। একটি কাজ সম্পন্ন করতেই অনেক সময় পুরো দিন ব্যয় হয়ে যেত। নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার ফলে সরকারি বিভিন্ন সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে এবং সময় ও অর্থ; দুটিই সাশ্রয় হবে বলে তারা আশা করছেন।
বাঙ্গরাকে উপজেলা করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরে ১০টি ইউনিয়নের জনগণ ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন, সভা-সমাবেশ ও গণসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উপজেলা বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বিষয়টি এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অবশেষে নিকারের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে।
বাঙ্গরা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন বলেন, বাঙ্গরাকে উপজেলা করা ছিল আমাদের প্রাণের দাবি। ২০১৪ সালে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বাঙ্গরা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ উপজেলা অনুমোদন পাওয়ায় পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হচ্ছে।
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম সরকার ও যুবদল নেতা চঞ্চল রায়হান বলেন, প্রায় এক দশকের আন্দোলনের ফসল আজকের এই উপজেলা। তারা এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
What's Your Reaction?