কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারের পাশে জামায়াত

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত তাজুল আহমেদের চাঁদপুরের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) নিহতদের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পর আজ সোমবার (২৩ মার্চ) নেতৃবৃন্দ তাজুল আহমেদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। তার সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুসলেহ উদ্দীন, মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চল পরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং চাঁদপুর কচুয়া উপজেলা আমীর অ্যাডভোকেট আবু তাহের মেজবা। শোকাহত পরিবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় ভাষায় সান্ত্বনা দেওয়ার কিছু থাকে না। তবুও দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিক দায়িত্ব।উল্লেখ্য, গতকাল কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন। দুর্ঘটনার পর

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারের পাশে জামায়াত

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত তাজুল আহমেদের চাঁদপুরের বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।

গতকাল রোববার (২২ মার্চ) নিহতদের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পর আজ সোমবার (২৩ মার্চ) নেতৃবৃন্দ তাজুল আহমেদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। তার সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মুসলেহ উদ্দীন, মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চল পরিচালক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং চাঁদপুর কচুয়া উপজেলা আমীর অ্যাডভোকেট আবু তাহের মেজবা। শোকাহত পরিবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, এমন মর্মান্তিক ঘটনায় ভাষায় সান্ত্বনা দেওয়ার কিছু থাকে না। তবুও দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিক দায়িত্ব।

উল্লেখ্য, গতকাল কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই কুমিল্লা মহানগর জামায়াত নিহতদের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে এবং আহতদের চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসে। নেতৃবৃন্দ নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর জন্য ধৈর্য কামনা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow