কুমিল্লায় হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, চার মাসে আক্রান্ত ১২শ
কুমিল্লায় হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সর্বশেষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হোসাইন নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জন শিশুর মৃত্যু হলো।
নিহত শিশু হোসাইন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শাহপরান এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ এপ্রিল রাতে জ্বর ও কাশির তীব্র উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। টানা পাঁচদিন চিকিৎসার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি মনে হলেও আজ সকালে হঠাৎ তার মৃত্যু হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাসে কুমিল্লাজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ৫০ জনের শরীরে মেডিকেল টিম নিশ্চিতভাবে হামের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শ
কুমিল্লায় হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সর্বশেষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হোসাইন নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫ জন শিশুর মৃত্যু হলো।
নিহত শিশু হোসাইন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শাহপরান এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ এপ্রিল রাতে জ্বর ও কাশির তীব্র উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। টানা পাঁচদিন চিকিৎসার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি মনে হলেও আজ সকালে হঠাৎ তার মৃত্যু হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাসে কুমিল্লাজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ৫০ জনের শরীরে মেডিকেল টিম নিশ্চিতভাবে হামের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়। এর আগে, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই এক শিশু মারা গিয়েছিল। সব মিলিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত ৫ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৬৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে ৩৪৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।