কুরিয়ারে পাঠাতেন ইয়াবা, চট্টগ্রামে গ্রেফতার একই পরিবারের ৬ জন

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৩২ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ একই পরিবারের ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশের একাধিক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ কমিশনারের (পাঁচলাইশ জোন) তত্ত্বাবধানে পাঁচলাইশ মডেল থানার একটি দল প্রথমে হিলভিউ আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে পলাতক আসামি হারেজা বেগমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হারেজা বেগম জানান, তার স্বামী আব্দুর রহিমসহ অন্য সহযোগীদের মাধ্যমে কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কম দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো। পরে হারেজা বেগমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার স্বামীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর হিলভিউ এলাকার জেসমিন হিলের একটি বাসা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা, তিনটি পরিবহন রসিদ, ৩২ হাজ

কুরিয়ারে পাঠাতেন ইয়াবা, চট্টগ্রামে গ্রেফতার একই পরিবারের ৬ জন

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ ৩২ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামসহ একই পরিবারের ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পাঁচলাইশ মডেল থানা পুলিশের একাধিক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং সহকারী পুলিশ কমিশনারের (পাঁচলাইশ জোন) তত্ত্বাবধানে পাঁচলাইশ মডেল থানার একটি দল প্রথমে হিলভিউ আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে পলাতক আসামি হারেজা বেগমকে (৪৩) গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হারেজা বেগম জানান, তার স্বামী আব্দুর রহিমসহ অন্য সহযোগীদের মাধ্যমে কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কম দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো।

jagonews24

পরে হারেজা বেগমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার স্বামীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর হিলভিউ এলাকার জেসমিন হিলের একটি বাসা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা, তিনটি পরিবহন রসিদ, ৩২ হাজার টাকা এবং ১৫টি হটবক্স উদ্ধার করা হয়।

একই এলাকার সুফিয়া গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে আবারও অভিযানে হারেজা বেগমের বাসা থেকে আরও ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ৫০০ পিস।

সিএমপির উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতাররা পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এমআরএএইচ/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow