কুষ্টিয়া-৩ আসনে পরাজিত ও নবনির্বাচিত প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে পরাজিত প্রার্থী এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৭টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী নবাগত সংসদ সদস্য মুফতী আমির হামজা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিনসহ দুই দলের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী পরাজিত হন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সমন্বয়ের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নবাগত এমপি মুফতী আমির হামজা এই সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৩ আসনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা, কৃষি ও কর্মসংস্থানসহ স্থানী

কুষ্টিয়া-৩ আসনে পরাজিত ও নবনির্বাচিত প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে পরাজিত প্রার্থী এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৭টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী নবাগত সংসদ সদস্য মুফতী আমির হামজা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এতে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিনসহ দুই দলের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সদ্যসমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী পরাজিত হন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সমন্বয়ের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নবাগত এমপি মুফতী আমির হামজা এই সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া-৩ আসনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা, কৃষি ও কর্মসংস্থানসহ স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দলীয় বিভাজন ভুলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎ শেষে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, "নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল, তবে এখন সময় একসঙ্গে কাজ করার। কুষ্টিয়া-৩ আসনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তারাও আমাদের ভাই বা বোন। সে লক্ষ্যে আমরা আমাদের নবাগত এমপিকে সঙ্গে নিয়ে সাক্ষাৎ করেছি।"

অন্যদিকে পরাজিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, "জনগণের রায় মেনে নিয়েছি। এলাকার স্বার্থে গঠনমূলক যেকোনো উদ্যোগে আমরা সহযোগিতা করবো। যেহেতু বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে যাচ্ছে, সে লক্ষ্যে আমরা চাই কুষ্টিয়াকে কিভাবে ডেভেলপমেন্ট করা যায় সে বিষয়ে সকলে মিলে কাজ করতে চাই।"

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর এমন সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে। তবে মাঠপর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে উভয় দলের নেতৃত্বকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এই বৈঠককে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং অনেকেই এটিকে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow