কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে ২৫ জন প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ২৫ জন প্রার্থীর হাতে স্বস্ব দলের প্রতীক তুলে দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা নির্বাচন অফিসের সিনিয়র অফিসার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহাঙ্গীর আলমসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন প্রার্থীদের আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়ে মত বিনিময় করেন এবং সকলকে আচরণ বিধি মেনে নির্বাচন পরিচালনা করার অনুরোধ জানান। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুশিয়ারী দেন তিনি। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন আরো বলেন, আইন মেনে চলবেন, যে নিয়মের কথা বলা হলো প্রতিটি বিষয় মেনে চলবেন। আপনারা যদি কেউ না মানেন, তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কথা হবে সম্পুর্ণরুপে আইনের ভা

কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে ২৫ জন প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ২৫ জন প্রার্থীর হাতে স্বস্ব দলের প্রতীক তুলে দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা নির্বাচন অফিসের সিনিয়র অফিসার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহাঙ্গীর আলমসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন প্রার্থীদের আচরণবিধি সংক্রান্ত বিষয়ে মত বিনিময় করেন এবং সকলকে আচরণ বিধি মেনে নির্বাচন পরিচালনা করার অনুরোধ জানান। নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুশিয়ারী দেন তিনি।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন আরো বলেন, আইন মেনে চলবেন, যে নিয়মের কথা বলা হলো প্রতিটি বিষয় মেনে চলবেন। আপনারা যদি কেউ না মানেন, তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কথা হবে সম্পুর্ণরুপে আইনের ভাষায়। আমি এক পাও এখান থেকে বিচ্যুৎ হবো না। সম্পূর্ণ কাজ পেশাদারিত্বের সাথে হবে। জাতীয় নির্বাচনে এ জেলায় আমাকে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি এখানে আইনের মধ্যে দিয়ে এসেছি। কাগজের মাধ্যমে কথা হবে। আমার ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্যও একই ভাষায় বলছি। কেউ আইন ভঙ্গ করে, কেউ যদি বলে ফেলে আমি এটা জানতাম না, সেটা বলার সুযোগ নেই। আশাকরি ভবিষ্যতে আপনারা নিজ নিজ সম্মান বাচিয়ে রাখার জন্য নির্বাচনী অনুযায়ী কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, ”আমি জানতাম না” এই শব্দটি আমাদের কাছে অ-গ্রহণ যোগ্য। নিজের ক্ষতি যেন আপনারা কেউ ডেকে না আনেন, যারা নির্বাচনী প্রার্থী তাদের জন্য যেমন সত্য এবং তার হয়ে যারা কাজ করবেন তাদের জন্যও তেমন সত্য। নির্বাচন অত্যন্ত পবিত্র একটি দায়িত্ব, একজন ভিক্ষারীরও ভোট আছে, কোন ভোটই আমরা চুরি করতে চাই না। যা পেছনে গেছে সবই অতীত, জাতির জন্য পাস্ট। ইন-ফিউচার ইনশাআল্লাহ আমরা ভোট পবিত্রতার সাথে করবো, এটা আমার জায়গা থেকে। আমি কারো পক্ষে কাজ করতে আসি নাই, নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করবো, এই নিশ্চয়তা আপনাদের দিতে পারি এবং শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আজ যা বললাম তা সেভাবেই থাকবে। চার দেয়ালের প্রকষ্টে, অন্ধকার প্রকষ্টে আমি যে কথা বললাম, সেটি আলোর মতো উদ্ভাসিত হবে ইনশাআল্লা, আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত। এর বাইরে অন্য কিছু হবে না।

এবারের নির্বাচনে কুষ্টিয়ার চারটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। ৭৫ কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ৮ জন, ৭৬ কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা-মিরপুর) আসনে ৫ জন, ৭৭ কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে ৬ জন, ৭৮ কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনে ৬ জন।

জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে, কুষ্টিয়া-১ আসনে প্রতীক পেলেন যারা, ড. গিয়াস উদ্দিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি- (তারা)। বদিরুজ্জামান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট- (মোমবাতি)। আমিনুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- (হাতপাখা)। নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, সতন্ত্র- (মোটর সাইকেল)। বেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী- (দাঁড়িপাল্লা)। শাহাবুল ইসলাম, গনঅধিকার পরিষদ (জিওপি)- (ট্রাক)। শাহারিয়ার জামিল, জাতীয় পার্টি- (লাঙ্গল)। রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি- (ধানের শীষ)। এ আসনটিতে বিএনপির একজন সতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও বাকিরা নিজ নিজ দলের মনোনীত প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

কুষ্টিয়া-২ আসনে প্রতীক পেলেন যারা, নুরউদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি- (কাস্তে)। মোহাম্মদ আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- (হাতপাখা)। আব্দুল গফুর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী- (দাঁড়িপাল্লা)। বাবুল আক্তার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ- (চেয়ার)। ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি- (ধানের শীষ)।

কুষ্টিয়া-৩ আসনে প্রতীক পেলেন যারা, মীর নাজমুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ- (মই)। রুমপা খাতুন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)- (হাতি)। শরিফুল ইসলাম, গনঅধিকার পরিষদ (জিওপি)- (ট্রাক)। আবদুল্লাহ আখন্দ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- (হাতপাখা)। মুফতি আমির হামজা, জামায়াতে ইসলামী- (দাঁড়িপাল্লা)। ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি- (ধানের শীষ)।

কুষ্টিয়া-৪ আসনে প্রতীক পেলেন যারা, আনোয়ার খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- (হাতপাখা)। তরুন কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)- (রকেট)। আফজাল হোসেন, জামায়াতে ইসলামী- (দাঁড়িপাল্লা)। অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম মিঞা, গনফোরাম- (উদীয়মান সূর্য)। শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টি- (আনারস)। সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি- (ধানের শীষ)।

এদিকে কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে এক জন নারী প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow