কুড়িগ্রামে তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীররক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যেই কয়েকটি গ্রাম চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। দ্রুত এই ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো উপজেলা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলের পর থেকে হঠাৎ করেই উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় অবস্থিত ডানতীর রক্ষা বাঁধটির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে। ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বাসিন্দাদের দাবি, চিলমারীকে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বিশেষ করে আজ রাতের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভাঙন রোধ করতে হবে। সরেজমিনে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে ভাঙনের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আকস্মিক এই ভাঙনে কাঁচকোল সড়কটারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বিকেলের পর থেকে বাঁধটি ভাঙতে শুরু করেছে। যে হারে ভাঙন চলছে, তাতে রাতেই যদি এটি বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে পুরো বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। খতিব উদ্দিন বলেন, এই বাঁধটি ভেঙে গেলে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীররক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র ভাঙনের ফলে ইতোমধ্যেই কয়েকটি গ্রাম চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। দ্রুত এই ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো উপজেলা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলের পর থেকে হঠাৎ করেই উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় অবস্থিত ডানতীর রক্ষা বাঁধটির একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হতে শুরু করেছে।
ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বাসিন্দাদের দাবি, চিলমারীকে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বিশেষ করে আজ রাতের মধ্যেই জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভাঙন রোধ করতে হবে।
সরেজমিনে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে ভাঙনের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আকস্মিক এই ভাঙনে কাঁচকোল সড়কটারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বিকেলের পর থেকে বাঁধটি ভাঙতে শুরু করেছে। যে হারে ভাঙন চলছে, তাতে রাতেই যদি এটি বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে পুরো বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
খতিব উদ্দিন বলেন, এই বাঁধটি ভেঙে গেলে গোটা চিলমারী উপজেলা বড় ধরনের হুমকিতে পড়বে। ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যায় বাঁধ ভেঙে যে বিপর্যয় ঘটেছিল, এবারও তেমন কিছুর আশঙ্কা করছি আমরা।
তীররক্ষা বাঁধে ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করে পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘তীর রক্ষা বাঁধে ধসের খবরে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছিল। ইতোমধ্যে সেখানে জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে নৌকা করে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে স্থানটির ধস বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাঁধের ওই স্থানটির নকশা ও কাঠামোগত দূর্বলতা রয়েছে। যে পরিমাণ ঘনত্বে ব্লক ও বস্তা ডাম্পিংয়ের প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি। ফলে প্রায়ই ধস দেখা দেয়। তখন আমরা জরুরি মেরামত করি। বাঁধের ওই স্থানটি নতুন করে স্থায়ী মেরামত করার জন্য প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে নতুন করে কাজ করা হবে।’
What's Your Reaction?