কুড়িয়ে পাওয়া বিশাল অঙ্কের টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ব্যবসায়ী
টাকার লোভে যেখানে বিবেক বিসর্জনের ঘটনা অহরহ, সেখানে বরগুনার এক ব্যবসায়ী সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া এক স্কুল শিক্ষকের ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা মাইকিং করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন মো. বশির উদ্দিন নামে এক কাঁচাবাজার আড়তদার। বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান জাকাতের গরু কেনার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু অসাবধানতাবশত পথেই টাকার খামটি হারিয়ে ফেলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও খামটি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন এই শিক্ষক। এদিকে, বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বরগুনা পৌরশহরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় পথ চলার সময় আড়তদার বশির উদ্দিন খামটি কুড়িয়ে পান। খাম খুলে বিপুল পরিমাণ টাকা দেখেও তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি। নিজের সাধ্যমতো চারপাশের মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করেও কোনো কুলকিনারা না পেয়ে তিনি দ্রুত মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করেন। মাইকিং শুনে স্কুল শিক্ষক খলিলুর রহমান ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করলে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এলাকা
টাকার লোভে যেখানে বিবেক বিসর্জনের ঘটনা অহরহ, সেখানে বরগুনার এক ব্যবসায়ী সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া এক স্কুল শিক্ষকের ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা মাইকিং করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দিয়েছেন মো. বশির উদ্দিন নামে এক কাঁচাবাজার আড়তদার।
বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান জাকাতের গরু কেনার জন্য মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু অসাবধানতাবশত পথেই টাকার খামটি হারিয়ে ফেলেন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও খামটি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন এই শিক্ষক।
এদিকে, বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বরগুনা পৌরশহরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় পথ চলার সময় আড়তদার বশির উদ্দিন খামটি কুড়িয়ে পান। খাম খুলে বিপুল পরিমাণ টাকা দেখেও তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি। নিজের সাধ্যমতো চারপাশের মানুষের কাছে জিজ্ঞেস করেও কোনো কুলকিনারা না পেয়ে তিনি দ্রুত মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করেন।
মাইকিং শুনে স্কুল শিক্ষক খলিলুর রহমান ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করলে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষকের হাতে পুরো টাকা তুলে দেন বশির উদ্দিন।
টাকা ফেরত পেয়ে আবেগাপ্লুত শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, এত টাকা পাওয়ার পরও লোভ সামলানো সত্যিই বড় ইমানের পরিচয়। নিখুঁত সততা না থাকলে এমন কাজ সম্ভব নয়। আমি তার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করি।
ব্যবসায়ী মো. বশির উদ্দিন বিনয়ের সঙ্গে বলেন, রাস্তায় পড়ে থাকা খামটি পাওয়ার পর দুই ঘণ্টা মালিকের খোঁজ করেছি। না পেয়ে মাইকিং করাই ছিল একমাত্র উপায়। প্রকৃত মালিককে খুঁজে পেয়ে টাকাগুলো ফেরত দিতে পেরে আমি শান্তি পাচ্ছি।
স্থানীয় অ্যাডভোকেট ফয়সাল এ প্রসঙ্গে বলেন, বর্তমান সমাজে এমন সততা সত্যিই বিরল। বশির উদ্দিনের এই উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।
What's Your Reaction?