কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষর কূটনীতিকদের

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে খোলা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা। ১ ও ২ জানুয়ারি—এই দুই দিনে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তারা মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শোকবইয়ে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে কুয়ালালামপুরে কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন। তারা শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা/ছবি: সংগৃহীত শোকবইয়ে লেখা বার্তাগুলোতে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। অনেক কূটনীতিকই তাকে (খালেদা জিয়া) একজন দৃঢ়চেতা ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যিনি

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষর কূটনীতিকদের

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে খোলা শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা।

১ ও ২ জানুয়ারি—এই দুই দিনে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তারা মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শোকবইয়ে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে কুয়ালালামপুরে কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন। তারা শোকবার্তায় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষর কূটনীতিকদেরখালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা/ছবি: সংগৃহীত

শোকবইয়ে লেখা বার্তাগুলোতে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। অনেক কূটনীতিকই তাকে (খালেদা জিয়া) একজন দৃঢ়চেতা ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যিনি গণতন্ত্র ও বহুদলীয় রাজনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে আন্তরিক সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে —শোকবইয়ে স্বাক্ষর তারই প্রতিফলন। এই শোকবই খোলার মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মানবিক দিকটি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শোকবইয়ে স্বাক্ষর কূটনীতিকদেরছবি: সংগৃহীত

শোকবইয়ে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশেরই নন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও একজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার প্রয়াণে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি মিশনগুলোতে শোকবই খোলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ১ ও ২ জানুয়ারি শোকবইয়ে স্বাক্ষরের আয়োজন করা হয়।

এমএমকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow