কুয়েতে বিদেশি নাগরিকসহ ৫ অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

কুয়েতে হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত পাঁচ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত রায় বহাল রাখার পর আমিরের অনুমোদন সাপেক্ষে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে পাবলিক প্রসিকিউশন। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মাধ্যমে দণ্ড কার্যকর করা হয়। পাবলিক প্রসিকিউশন জানায়, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার পুরো সময়জুড়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের সাংবিধানিক সব অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন ও আপিলের সুযোগও ছিল। মামলাগুলো আপিল আদালত এবং কোর্ট অব ক্যাসেশনের পর্যালোচনাসহ সব বিচারিক ধাপ অতিক্রম করে। পরে কুয়েতের আমির চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। ফাঁসিপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন কুয়েতি নাগরিক, একজন মিসরীয় নাগরিক এবং একজন রাষ্ট্রহীন বাসিন্দা (বেদুন) ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন কুয়েতি নাগরিক ২০২১ সালে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। আরেক কুয়েতি নাগরিক ২০২৩ সালের একটি মামলায় অপহরণ, পরিকল্পিত হত্যা, অবৈধভাবে আটক রাখা, মাদকদ্রব্য রাখা এবং অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অপরাধে মৃ

কুয়েতে বিদেশি নাগরিকসহ ৫ অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

কুয়েতে হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত পাঁচ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ আদালত রায় বহাল রাখার পর আমিরের অনুমোদন সাপেক্ষে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে পাবলিক প্রসিকিউশন।

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মাধ্যমে দণ্ড কার্যকর করা হয়।

পাবলিক প্রসিকিউশন জানায়, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার পুরো সময়জুড়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের সাংবিধানিক সব অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন ও আপিলের সুযোগও ছিল।

মামলাগুলো আপিল আদালত এবং কোর্ট অব ক্যাসেশনের পর্যালোচনাসহ সব বিচারিক ধাপ অতিক্রম করে। পরে কুয়েতের আমির চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।

ফাঁসিপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন কুয়েতি নাগরিক, একজন মিসরীয় নাগরিক এবং একজন রাষ্ট্রহীন বাসিন্দা (বেদুন) ছিলেন।

তাদের মধ্যে একজন কুয়েতি নাগরিক ২০২১ সালে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

আরেক কুয়েতি নাগরিক ২০২৩ সালের একটি মামলায় অপহরণ, পরিকল্পিত হত্যা, অবৈধভাবে আটক রাখা, মাদকদ্রব্য রাখা এবং অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পান।

মিসরীয় নাগরিককে ২০২৪ সালের একটি মামলায় এক নারীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও অবৈধভাবে আটকে রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

রাষ্ট্রহীন বাসিন্দা ২০২১ সালের একটি পরিকল্পিত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন।

পঞ্চম ব্যক্তি ছিলেন একজন কুয়েতি নাগরিক, যিনি ২০১৭ সালে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।

পাবলিক প্রসিকিউশন আরও জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তদের একজন চূড়ান্ত রায় কার্যকরের আগে মামলার পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন করেছিলেন। তবে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তার মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হয়।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow