কূটনৈতিক সংবর্ধনায় বাংলাদেশের প্রশংসা মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
মালদ্বীপে জাঁকজমকপূর্ণ কূটনৈতিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানী মালের ‘হোটেল জেন মালদ্বীপ মালে বাই শাংরি-লা’-তে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল্লাহ খালিল। এছাড়াও দেশটির স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই আয়োজনে অংশ নেন। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং এরপর উভয় দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। স্বাগত বক্তব্যে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্
মালদ্বীপে জাঁকজমকপূর্ণ কূটনৈতিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানী মালের ‘হোটেল জেন মালদ্বীপ মালে বাই শাংরি-লা’-তে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল্লাহ খালিল। এছাড়াও দেশটির স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এই আয়োজনে অংশ নেন।
কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং এরপর উভয় দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
স্বাগত বক্তব্যে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টিও তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করেন। বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল্লাহ খালিলের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল্লাহ খালিল বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক এবং রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুর বাংলাদেশ সফর নিয়ে নির্মিত একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে আকর্ষণীয় ভিডিও চিত্র উপস্থাপন করা হয়। কেক কাটা, ফটোসেশন ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত নৈশভোজে অতিথিরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন, যা দুই দেশের অটুট বন্ধুত্বের প্রতিফলন ঘটায়।
What's Your Reaction?